বার্জ P305 ডোবার চারদিন পর, শুক্রবার মুম্বই পুলিশ ভেসেলের ক্যাপ্টেনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল। নৌ বাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, দুর্ঘটনার জেরে ৫১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা গিয়েছে, ২৭ জন এখনও নিখোঁজ।
পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, P305 এর এক ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে 304(II), 338 এবং 34 ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাণহানী হতে পারে এমন কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে ওই ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে।
ইয়োলো গেট পুলিশ জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় টাওতের সতর্কতা না মানার জেরেই দুর্ঘটনা। মুম্বই পুলিশের ডিসিপি এস চৈতন্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বার্জের ক্যাপ্টেন ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা মানেননি, যার জেরে বিরাট দুর্ঘটনা। এখনও পর্যন্ত ৪৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা ক্যাপ্টেন সহ কয়েকজনের নামে এফআইআর করেছি। তদন্ত আরো যাঁদের জড়িত থাকার প্রমান পাবো, তাঁদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: বিবাহ ছাড়াই সহবাসে সুপ্রিম কোর্টের সম্মতি
তদন্তে নেমে পুলিশ সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করছে। এখনও পর্যন্ত ৫০ জন, যাঁরা এই দুর্ঘটনায় রক্ষা পেয়েছেন তাঁদের সকলের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।
বার্জ P305 ভেসেলটি আরব সাগরের মুম্বই উপকূলে ONGC এর তেল খননের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ১৬ মে প্রবল ঘূর্ণিঝড় টাওতের ধাক্কায় আরব সাগরে ডুবে যায় বার্জটি। উদ্ধারকাজ চালু রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৮৮ জনকে উদ্ধার করা গেছে। অনেকে এখনও নিখোঁজ। ভারতীয় নৌ বাহিনীর দুটি জাহাজ আইএনএস কোচি এবং আইএনএস কলকাতা, তিনটে কোস্ট গার্ড ভেসেল এবং ONGC এর ১৪ টি ভেসেল উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ONGC এবং তাদের কন্ট্রাক্টর Alfons Infrastructure এই দুর্ঘটনার জন্য ভেসেলের ক্যাপ্টেনের ভূমিকাকে কাঠগড়ায় তুলেছে। এবার বার্জের ক্যাপ্টেনের বিরুদ্ধে এফআইআর করল মুম্বই পুলিশ।
আরও পড়ুন: যাত্রী নিরাপত্তায় নতুন পদক্ষেপ, গাড়িতে থাকতে হবে কমপক্ষে ৬টি এয়ারব্যাগ; অক্টোবর থেকেই নয়া নিয়ম




