দিল্লির পুলিশ কমিশনার হলেন প্রাক্তন সিবিআই স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানা। অবসরের মাত্র তিনদিন আগে নতুন পদে নিয়োগ ঘিরে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
১৯৮৪ ব্যাচের গুজরাট ক্যাডারের আইপিএস অফিসার রাকেশ আস্থানা সম্প্রতি সিবিআইয়ের ডিরেক্টর পদের দৌড়েও এগিয়েছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে দুটি নাম সুপারিশ করা হয় তার মধ্যে রাকেশও ছিলেন। কিন্তু প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা সেসময় রাকেশ আস্থানার নিয়োগ নিয়ে আপত্তি তোলেন। প্রধান বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী ছয় মাসেরও কম সময় রয়েছে অবসর গ্রহণ এমন কোনও অফিসারকে নতুন ভাবে পুলিশের কোনও শীর্ষ পদে নিয়োগ করা যায়না।
নতুন পুলিশ কমিশনারের নিয়োগ পত্রে লেখা হয়েছে, স্পেশাল কেস হিসেবে পাব্লিক ইন্টারেস্টে রাকেশ আস্থানার চাকরির মেয়াদ আরও একবছর বাড়ানো হল।
আরও পড়ুন: ভারতে জিও-ফেসবুক যুগলবন্দি, ৪৪ হাজার কোটি টাকা দিয়ে জিওর ৯.৯৯% শেয়ার কিনল জুকারবার্গের সংস্থা
উল্লেখ্য রাকেশ আস্থানা তৃতীয় ব্যক্তি যিনি দিল্লি ক্যাডারের না হয়েও কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এর আগে এসএস জগ এবং অজয়রাজ শর্মা রাজ্য ক্যাডারের বাইরে থেকেও এই পদে আসীন হয়েছিলেন।
১৯৮৪ ব্যাচের এই আইপিএস একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই তিনি পরিচিত।
২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর, গুজরাট থেকে রাকেশ আস্থানাকে সরিয়ে সিবিআইয়ের স্পেশাল ডিরেক্টর পদে নিয়োগ করা হয়।
আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটে বিহার থেকে বিজেপি বিরোধী জোটের প্রার্থী হতে পারেন কানহাইয়া কুমার
তৎকালীন সিবিআই প্রধান আলোক ভার্মা রাকেশের নিয়োগ নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলেন। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রাকেশ আস্থানার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন তদন্তও হয় ।
এমনকী রাকেশ আস্থানা বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন তৎকালীন সিবিআই প্রধান। যার জেরে সিবিআই প্রধানের পদ খোয়াতে হয় আলোক ভার্মাকে।
যদিও ২০২০ সালে সমস্ত অভিযোগে সিবিআই রাকেশ আস্থানাকে ক্লিন চিট দেয়।
উল্লেখ্য পেগাসাস বিতর্কে যাঁদের ফোন ট্যাপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ সেই তালিকাতেও রাকেশ আস্থানা নাম রয়েছে এমনটাই দাবি ইংরেজী পোর্টাল দি ওয়্যারের।




