দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর আজ, শনিবার প্রথম ‘জনতা দরবার’ (Janata Darbar) করতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষের অভাব, অভিযোগ এবং নানা সমস্যার কথা সরাসরি শুনতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। প্রশাসনিক স্তর থেকে জানানো হয়েছে, সরাসরি জনসংযোগ এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কড়া নিরাপত্তা এবং উপচে পড়া ভিড়ের সম্ভাবনা
মুখ্যমন্ত্রীর এই জনতা দরবার ঘিরে প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা তুঙ্গে। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু মানুষ নিজেদের অভাব-অভিযোগ জানাতে আসবেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণে সভাস্থল এবং সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে সুশৃঙ্খলভাবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিজেদের অভাবের কথা তুলে ধরতে পারেন, তার জন্য নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করেছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন: ‘অগ্নিপথ’র অগ্নিগর্ভ পরস্থিতির জের, হাওড়া-কলকাতায় বাতিল হল একগুচ্ছ ট্রেন, কাটছাঁট করা হল যাত্রাপথও
স্পটেই সমাধানের নির্দেশ
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, জনতা দরবারে শুধুমাত্র অভিযোগ শোনাই নয়, সম্ভব হলে তৎক্ষণাৎ তার সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকবেন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানীয় জল বা স্থানীয় প্রশাসনের গাফিলতি সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ এলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী।
কেন এই বিশেষ উদ্যোগ?
আরও পড়ুন: ১৭ দিন পর SSKM থেকে ছাড়া পাচ্ছেন অনুব্রত, বেড রেস্টে থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের
জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো রকম মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাল চক্র যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই জনতা দরবারের আয়োজন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের কাছে ঠিকমতো পৌঁছচ্ছে কি না, তা সরাসরি আমজনতার মুখ থেকে শুনতে চান শুভেন্দু অধিকারী।
রাজনৈতিক মহলের মতে, মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ আরও নিবিড় করতে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যবাসীর অভাব-অভিযোগগুলি তিনি কতটা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে মেটাতে পারেন, আপাতত সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।