Silver ₹74.52/g Kolkata 32°C 8 June 2026
Editor's choice

এবার নির্বাচিত সাংসদদের ৮৮ শতাংশই কোটিপতি, ৪৩ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, রিপোর্ট প্রকাশ এডিআরের

এবার নির্বাচিত সাংসদদের ৮৮ শতাংশই কোটিপতি, ৪৩ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, রিপোর্ট প্রকাশ এডিআরের

শেষ হয়েছে সাধারণ নির্বাচন। ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদী। এবার কী হবে সংসদের চেহারা? কতজন নির্বাচিত সাংসদের বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারি মামলা, কতজনই বা কোটিপতি, কীই বা সাংসদদের গড় শিক্ষাগত যোগ্যতা, তার রিপোর্ট পেশ করেছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস বা এডিআর। তাতে দেখা যাচ্ছে, কোটিপতি ও অপরাধমূলক মামলায় অভিযুক্ত সাংসদের সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

এবার ৫৪২ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের নির্বাচনী হলফনামায় নির্দিষ্ট তথ্য না পাওয়ায়, কমিশনে জমা দেওয়া ৫৩৯ জন সাংসদের হলফনামা বিশ্লেষণ করেছে এডিআর। গত ২৫ শে মে প্রকাশিত এডিআরের রিপোর্ট বলছে, ২০১৯ লোকসভা ভোটে জয়ী প্রার্থীর ৪৭৫ জনই কোটিপতি, অর্থাৎ ৮৮ শতাংশ। এর মধ্যে ২২৫ জন পুনর্নির্বাচিত সাংসদের গড় সম্পত্তির পরিমাণ ২১ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা। গত পাঁচ বছরে তাঁদের সম্পত্তি গড়ে ৪ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা বা ২৯ শতাংশ হারে বেড়েছে। যে ৫ জন পুনর্নির্বাচিত সাংসদের সম্পত্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে তাঁরা হলেন, কর্ণাটকের কংগ্রেস সাংসদ ডিকে সুরেশ, এনসিপির শ্রীমন্ত ভোঁসলে, পঞ্জাবের শিরোমনি আকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদল ও মথুরার বিজেপি সাংসদ হেমা মালিনী।
বিজেপির ৩০১ জন বিজয়ী প্রার্থীর মধ্যে ২৬৫ জনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ১ কোটি টাকার বেশি। কংগ্রেসের ৫১ জন সাংসদের মধ্যে ৪৩ জনই কোটিপতি। শিবসেনা, জেডি ইউ, বিএসপি, টিআরএস, সমাজবাদী পার্টি এবং আপের সব সাংসদই কোটিপতি।
পাশাপাশি ৫৩৯ প্রার্থীর মধ্যে ২৩৩ জন (৪৩ শতাংশ) নির্বাচিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে রয়েছে অপরাধমূলক মামলার অভিযোগ। এডিআরের রিপোর্টে অনুযায়ী,
২০০৯ সালের লোকসভা ভোটের সঙ্গে তুলনা করলে, অপরাধমূলক মামলায় অভিযুক্ত সাংসদের সংখ্যা ২০১৯ সালে ৪৪ শতাংশ বেড়েছে। ১৫৯ জন সদ্য নির্বাচিত সাংসদের বিরুদ্ধে রয়েছে খুন, ধর্ষণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ। কেরলের ইদুক্কির কংগ্রেস সাংসদ ডিন কুরিয়াকোজের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি সহ ২০৪ টি অপরাধমূলক মামলা রয়েছে।
এছাড়াও এডিআরের রিপোর্ট জানাচ্ছে, নির্বাচিত সাংসদের মধ্যে ১২৮ জন পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনো করেছেন। যা শতকরা ২৪ শতাংশ। ১ জন জয়ী প্রার্থী জানিয়েছেন, তাঁর অক্ষরজ্ঞান আছে, আর ১ জন নিরক্ষর বলে তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় জানিয়েছেন। ৩৯২ জন সাংসদ তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ও তার বেশি বলে জানিয়েছেন।

সৈকত দাস

সাংবাদিক