মুখ্যমন্ত্রীর এসএসকেএম পরিদর্শনের ঘন্টা খানেকের মধ্যে চালু হল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পরিষেবা। দুপুর ২ টো নাগাদ এমার্জেন্সি বিভাগে কাজ শুরু করেন চিকিৎসকরা। যদিও কর্মবিরতি তুলতে নারাজ জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁরা বলছেন, দরকারে হস্টেল ছাড়বেন, কিন্তু আন্দোলন জারি থাকবে।
সোমবার এনআরএস হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রহৃত হওয়ার জেরে চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে বেহাল হয়ে পড়ে রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবা। বৃহস্পতিবার দুপুরে এসএসকেএমে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া বার্তা, ৪ ঘন্টার মধ্যে রোগীদের পরিষেবা চালু না হলে হস্টেল ছাড়তে হবে জুনিয়র চিকিৎসকদের। পুলিশকেও কড়া পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দেন মমতা।
এর ঘন্টাখানেকের মধ্যে এসএসকেএমের জরুরি বিভাগে পরিষেবা চালু হয়। কিন্তু আন্দোলনরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর লিখিত আশ্বাস ছাড়া কোনওভাবেই আন্দোলন থেকে সরছেন না তাঁরা।
আরও পড়ুন: রাজীব কুমার আগাম জামিন মামলার শুনানি শেষ, রায়দান স্থগিত, মঙ্গলবার হতে পারে রায়
এসএসকেএমে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই এনআরএসে বৈঠকে বসেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা। বৈঠকের পর তাঁরা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’র কাছে তাঁরা মাথা নত করবেন না। সব মিলিয়ে রাজ্যের বেশ কিছু সরকারি হাসপাতালে জরুরি বিভাগে পরিষেবা চালু হলেও জুনিয়র ডাক্তাররা তাঁদের আন্দোলনেই অনড়।




