কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের সঙ্গে রায় নিয়ে মতভেদ অপর বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জির। তার জেরে বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানো হবে জামিনের আবেদন। ততদিন ৪ জনকে থাকতে হবে গৃহবন্দি। জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট।
তবে আদালত জানিয়েছে, করোনা মোকাবিলার জন্য ধৃত মন্ত্রীরা ফাইল দেখতে পারবেন, আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকও করতে পারবেন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে। সিবিআইয়ের স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ করে দিয়ে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, মানুষের জন্য তাঁরা যে কাজ করছেন করবেন।
নারদ মামলায় নাটকীয় টুইস্ট। অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া নিয়ে দুই বিচারপতির মতভেদ। তার জেরে রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি, ফিরহাদ হাকিম, বিধায়ক মদন মিত্র এবং প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জিকে গৃহবন্দি থাকতে হবে। আদালত সূত্রের খবর, দুই বিচারপতির মতভেদের জেরে জামিনের স্থগিতাদেশের পুনর্বিবেচনার আবেদন পাঠানো হবে বৃহত্তর বেঞ্চে। সেই বেঞ্চে মামলার শুনানি হওয়া পর্যন্ত ৪ হেভিওয়েটকে গৃহবন্দি থাকতে হবে।
আরও পড়ুন: ২ মে পর্যন্ত বিজেপির ভারতী ঘোষকে গ্রেফতারিতে রক্ষাকবচ দিল সুপ্রিম কোর্ট
কলকাতা হাই কোর্ট সূত্রে খবর, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ৪ হেভিওয়েটকে গৃহবন্দি রাখার নির্দেশ দেন। অন্যদিকে বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জি ৪ জনকে অন্তর্বর্তী জামিন প্রদান করেন। বেঞ্চের ২ বিচারপতির মতভেদের জেরে মামলা অন্য বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।




