সুব্রত মুখার্জি, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, শোভন চ্যাটার্জি সহ নারদ মামলায় মোট ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করল সিবিআই। সকালে ধৃত ৪ জন ছাড়া চার্জশিটে নাম রয়েছে মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ সাসপেন্ডেড আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জার।
আদালতে চার্জশিট পেশ করে ধৃত চারজনকেই ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী।
অন্যদিকে সিবিআইয়ের আইনজীবীর এই আর্জির তীব্র বিরোধিতা করেন অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি। চারজন অভিযুক্ত তদন্তে সহযোগিতা করেননি এমন অভিযোগ নেই। পাশাপাশি কল্যাণের প্রশ্ন একই মামলায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতা মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীদের গ্রেফতার নয় কেন? সেই সঙ্গে কল্যাণ বলেন, বর্তমানে কোভিড মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা পৌরসভার পুরপ্রশাসক ফিরহাদ হাকিম, তাঁকে এ সময়ে গ্রেফতার করলে কলকাতা অসহায় হয়ে পড়বে।
আরও পড়ুন: ফের সিবিআই হাজিরা এড়ালেন অনুব্রত মণ্ডল
এদিকে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ধৃতরা সকলেই সমাজে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাঁরা বাইরে থাকলে নিজেদের বিরুদ্ধে থাকা প্রমান নষ্ট করতে পারেন। সেই কারণে এঁদের জেল হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, চার্জশিট পেশ হয়ে গেলে হেফাজতে নেওয়ার কী প্রয়োজন?
সূত্রের খবর, সিবিআই প্রিভেনশান অব করাপশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, ১২০ বি আইপিসি, ৭ নং ধারা, ১৩/২, ১৩/১ এ, ১৩/১/বি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে সুব্রত মুখার্জি, শোভন চ্যাটার্জি, ফিরহাদ হাকিম ও মদন মিত্রর নামে।




