আচমকা রাজধানীর পথে রওনা রাজ্যপালের। শনিবার সকাল ১০.২০ বিমানে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন ধনখড়। তাঁর এই হঠাৎ সফরে ঘিরে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক জল্পনা।
রাজভবন সূত্রে খবর, জাতীর মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করতেই রাজ্যপালের দিল্লি যাত্রা। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে NHRC যে দীর্ঘ রিপোর্ট হাইকোর্ট জমা দিয়েছে তা নিয়েই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন রাজ্যপাল।
উল্লেখ্য কয়েকদিন আগেই মানবধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে দীর্ঘ রিপোর্ট জমা দেয় হাইকোর্টে। যাতে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন, শাসক দল, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীকে কুখ্যাত দুষ্কৃতী বলে ওই রিপোর্টে উল্লেখ করে NHRC’র বিশেষ প্রতিনিধি দল।
আরও পড়ুন: ব্যাপক সংখ্যায় আশাকর্মী নিয়োগের পথে নবান্ন; অনুমোদন মন্ত্রিসভার বৈঠকে
এদিকে এই রিপোর্ট ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শাসকদলের তরফে রিপার্টকে অতিরঞ্জিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত বলে দাবি করা হয়। পাল্টা রাজ্য বিজেপি রিপোর্টকে মান্যতা দিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের মতে NHRC এর রিপোর্টটি হিমবাহরের চূড়া মাত্র। পশ্চিবঙ্গে বিরোধীদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল।
কয়েকদিন আগে রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দু’তরফেই এই বৈঠককে সৌজন্য সাক্ষাৎকার হিসেবে দাবি করা হয়। ওই মিটিং শেষে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করেছিল রাজভবন নবান্নের মধ্যে সংঘাতের বরফ হয়তো কিছুটা গোলেছে।
আর এদিন রিপোর্ট নিয়ে রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই রাজ্যপালের দিল্লি যাত্রা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
আরও পড়ুন: চণ্ডীতলায় মহম্মদ সেলিম, সিঙ্গুরে সৃজন ভট্টাচার্য, কামারহাটিতে মানসের বদলে সায়নদীপ মিত্র




