এসএসকেএমে ভর্তি রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড়ে চিড় ধরেছে। বাঁ পায়ের পেশীতেও চোট পেয়েছেন তিনি। বুধবার রাতেই চোট পাওয়ার পর এমআরআই করা হয়। বাঁ পায়ে অস্থায়ী প্লাস্টার করা হয় তাঁর। এছাড়াও ডান কাঁধ, কনুই ও ঘারে চোট পেয়েছেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এখনও পায়ে ফোলা ভাব রয়েছে মমতার। ফোলা ভাব কমলে বৃহস্পতিবার ফের প্লাস্টার করা হবে মুখ্যমন্ত্রীর।
এদিনই সিটি স্ক্যান করা হবে মুখ্যমন্ত্রীর। রাতেই মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের জানিয়েছিলেন বুকে ব্যাথা ও শ্বাসকষ্টের কথা। সেইকারণে সিটি স্ক্যান করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার ইসিজির রিপোর্ট সন্তোষজনক হওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার ফের ইসিজি করা হবে তাঁর। এছাড়া ইকোও করা হবে মুখ্যমন্ত্রীর। রক্তের একাধিক পরীক্ষা করা হবে তাঁর। রাতেই মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যথা কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর চিকিসার জন্য গঠিত করা হয়েছে মেডিক্যাল বোর্ড। ৯ সদস্য নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি দল। এসএসকেএম-এর অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ওই দলে রয়েছেন ৩ বিভাগীয় প্রধান ও আরও ৫ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। অর্থোপেডিক, নিউরো সার্জারি, নিউরো মেডিসিন, জেনারেল সার্জারি, কার্ডিওলজি, এন্ডোক্রিনোলজি, জেনারেল মেডিসিন এবং অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত হয়েছে দল।
আরও পড়ুন: কেমন আছেন অনুব্রত, জানতে চেয়ে SSKM-এ পৌঁছল CBI
বুধবার নন্দীগ্রামে পড়ে গিয়ে আঘাত পান মুখ্যমন্ত্রী। চক্রান্ত করে তাঁকে ৪ থেকে ৫ জন ঠেলে ফেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। গ্রিন করিডোর করে নিয়ে তাঁকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানে উডবার্ন ওয়ার্ডের সাড়ে ১২ নম্বর কেবিনে ভর্তি করানো হয় মমতা ব্যানার্জিকে। অ্যাম্বুল্যান্সে করে এমআরআই করানোর জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সে। এরপর তাঁকে ফের ভর্তি করা হয় এসএসকেএমে।