একই ব্যক্তিকে দুটি আলাদা ভ্যাকসিনের ডোজ দিলেও তেমন কোনও ক্ষতির সম্ভবনা নেই। উত্তর প্রদেশের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রকের। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিকরা এও বলেন, বিজ্ঞানীদের একাংশের তরফে দাবি করা হচ্ছে একই ব্যক্তিকে দুটি আলাদা ভ্যাকসিনের ডোজ দিলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ে। যদিও ওই আধিকারিক বলেন, পুরো বিষয়টি এখনও গবেষণার পর্যায়ের রয়েছে। যদি কোথাও এমন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলেও চিন্তার কোনও কারণ নেই, মন্তব্য স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিকের।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের সিদ্ধার্থনগরে ২০ জনকে প্রথম পর্যায়ে কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া হয় কিন্তু পরের পর্যায়ে তাঁদের কোভ্যাক্সিনের টিকা দেওয়া হয়। যোগী রাজ্যের এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় পড়ে যায়। একই ব্যক্তিকে দু’রকমের ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের শোকজও করা হয়।
এদিকে উত্তর প্রদেশের সিদ্ধার্থনগরের মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক বিবৃতি দিয়ে জানান, ভুলবশত যাঁদের দু’রকমের টিকা দেওয়া হয়েছে, চিকিৎসকদের একটি দল তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করেছেন, শারিরীক অবস্থার পরীক্ষা করেছেন। সকলেই এখন ভালো আছেন।
আরও পড়ুন: ভোটের মুখে ফের পাকিস্তানে সার্জিকাল স্ট্রাইক? সংশয় প্রকাশ ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’এ
বিরোধীদের অভিযোগ, বিজেপি শাসিত যোগী রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থার এই বেহাল অবস্থা আড়াল করতেই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এই মন্তব্য। সেই সঙ্গে বিরোধীরা আরও বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এধরনের বিবৃতি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে।
উল্লেখ্য ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের মধ্যে সময়ের ব্যবধান নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দু’রকম নির্দেশিকা নিয়েও সরব হয়েছিল বিরোধীরা। টিকাকরণের শুরুতে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, প্রথম ডোজের ২৮ থেকে ৪২ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় টিকা নিতে হবে। কিন্তু পরবর্তী সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়, দুটি টিকার মধ্যেকার ব্যবধান হবে ১৪ থেকে ১৮ সপ্তাহ।




