প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভুলেই বঞ্চিত হয়েছেন প্রার্থীরা। দায়িত্ব পর্ষদকেই নিতে হবে। বয়েস পেরিয়ে গেলেও যোগ্য প্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ে ডাকতে হবে। সোমবার টেট মামলার শুনানিতে এমনটাই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি। সেই সঙ্গে ফের একবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন তিনি।
এদিন জাস্টিস গাঙ্গুলি বলেন, ভুল প্রশ্ন উত্তর দেওয়ার জেরে যাঁদের নম্বর বেড়েছে, অথচ বয়েস পেরিয়ে গিয়েছে, তাঁদের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে পর্ষদকে। বয়েস পেরিয়ে গেছে এরকম প্রার্থীদের জন্যও ইন্টারভিউ বোর্ড গঠন করতে হবে পর্ষদকে।
২০১৪ সালে টেটের ভুল প্রশ্নের জন্য অনেকেরেই নাম্বার বাড়ে। অথচ ২০১৬ সালে ভুল প্রশ্নের জেরে এমন অনেকেরই নাম্বার বাড়ে যাঁদের ইতিমধ্যেই বয়েস পেরিয়ে গিয়েছিল। তাঁদের মধ্যেই একজন মামলাকারী নেফাউর শেখ। এদিন ওই মামলার শুনানি শেষে বিচারপতি স্পষ্ঠ জানান, নেফাউরকে আবার ইন্টারভিউয়ে সুযোগ দিতে হবে এবং যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারলে, তাঁকে নিয়োগ করতে হবে।
আরও পড়ুন: অর্জুন অস্বস্তি বিজেপির অন্দরে! জুট কমিশনারের অফিসের সামনে ধর্ণার হুঁশিয়ারি ব্যারাকপুরের সাংসদের




