Take a fresh look at your lifestyle.

আম্বানির কোটি কোটি টাকা লস খাইয়ে দিলো সুপারস্টার রণবীর সিং! চরম ক্ষতির সম্মুখীন অনিল আম্বানি, খুব খারাপ হলো আম্বানির সাথে

1,215

গতবছরের শেষে ২৪’শে ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘৮৩’। ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের প্রেক্ষাপটে বানানো হয়েছে এই ছবি। কবীর খান পরিচালিত এই ছবিতে কপিল দেবের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রণবীর সিং এবং তার স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীপিকা পাডুকোন। এই ছবি বক্সঅফিসে তুমুল ব্যবসা করবে মনে করা হয়েছিল। কবে তার কিছুই পূরণ করতে পারেনি এই ছবি। রীতিমতো বক্সঅফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে কবীর খানের ‘৮৩’।

এই ছবির মুক্তির অনেক আগে থেকেই এই ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন ক্রিকেট মহল থেকে শুরু করে, ছবির অভিনেতা অভিনেত্রীরা, নির্মাতারা এবং সাধারণ মানুষরা। তবে শেষ পর্যন্ত ছবি বক্স অফিসে এমন খারাপ রেজাল্ট করবে তা কেউ ভাবতেও পারেননি। এই ছবি চলচ্চিত্র সমালোচকদের কাছেও প্রশংসিত হয়েছিল। তারা বলেছিলেন, এই ছবি রণবীর সিংয়ের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছবি হয়ে থেকে যাবে। ছবিতে তার অভিনয় ছিল উল্লেখ করার মত। কিন্তু শেষপর্যন্ত ছবি এমন মুখ থুবরে পড়বে তা কল্পনাতেও কল্পনা করতে পারেননি কেউ।

তবে বক্সঅফিসে রণবীর সিং অভিনীত ‘৮৩’ ফ্লপ হওয়ার কোটি কোটি টাকা লস করে ব্যবসার ক্ষতি করলেন অনিল আম্বানি। অনিল আম্বানির কোম্পানি রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট এই ছবির জন্য মোট ১২৫ কোটি টাকা ঢেলেছিলেন। তার পাশাপাশি সকলেই ভেবেছিলেন এই টাকা এক সপ্তাহের মধ্যেই উঠে আসবে। তবে ছবি মুক্তি পাওয়ার পর বক্সঅফিসের চিত্রটাই পাল্টে দিল সবকিছু। ছবি মুক্তি পাওয়ার পর, ১০ দিনে মাত্র ৭৬ কোটি টাকা আয় করেছে ‘৮৩’। টাকার এই পরিমাণ শুনে অবাক হচ্ছেন সকলেই। তবে এমনটা ঠিক কেন হল তা কিছুটা হলেও বোঝা মুশকিল।

অনিল আম্বানি বেশ কিছু সময় ধরে ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখ দেখছিলেন। ‘৮৩’ ছবিতে টাকা ঢালার পর সেই ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে গেল আরো। শুধুমাত্র তিনি নন ছবির গোটা টিম অপ্রত্যাশিতভাবে খুব খারাপভাবে লস খেয়েছে বক্সঅফিসে।

গোটা দেশ জুড়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ওমিক্রন সংক্রমণও বাড়ছে প্রতি মুহূর্তে। এই ছবি বক্সঅফিসে মুখ থুবড়ে পড়ার এটি অন্যতম কারণ। অন্যদিকে পুষ্প ও স্পাইডারম্যানের মতো একাধিক বড় বাজেটের ছবি প্রতিযোগিতায় ফেলেছিল এই ছবিকে। ইতিমধ্যেই দিল্লি সহ একাধিক শহরে বন্ধ হয়েছে প্রেক্ষাগৃহ। গোটা পশ্চিমবঙ্গে ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে খোলা থাকবে প্রেক্ষাগৃহ। এই পরিস্থিতিতে বলাই যায় কবীর খান পরিচালিত কিছুটা হলেও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের জন্য মার খেয়ে গেল বক্সঅফিসে।

Comments are closed.