লোকসভায় পেশ হল তিন তালাক বিল। শুক্রবার লোকসভায় নতুন করে বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। সংসদের দুই কক্ষে এবার বিলটি পাস হলে, মুসলিম মহিলাদের বিয়ের অধিকার রক্ষা বিল, ২০১৯ আইন হিসেবে গ্রাহ্য হবে। ফেব্রুয়ারিতে মোদী সরকার এ বিষয়ে অর্ডিনান্স জারি করেছিল।
আরও পড়ুন: ৪৯ জন বিশিষ্টের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা: মোদীকে খোলা চিঠি ১৮০ জন বুদ্ধিজীবীর, হস্তক্ষেপের আর্জি
১৬ তম লোকসভা ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই, আগের তাৎক্ষণিক তিন তালাক বিলটি বাতিল বা তামাদি হয়ে যায়। প্রথম মোদী সরকারের আমলে বিলটি লোকসভায় পাস হলেও আটকে গিয়েছিল রাজ্যসভায়। সংসদের উচ্চ কক্ষে মোদী সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। বিরোধীরা দাবি জানিয়েছিল, বিলটি পাঠানো হোক সিলেক্ট কমিটিতে। কিন্তু বিরোধীদের সেই দাবি মানতে নারাজ ছিল সরকার পক্ষ। এরপর সরকার ভেঙে যাওয়ায়, স্বাভাবিকভাবেই বাতিল হয়ে যায় রাজ্যসভায় আটকে যাওয়া তাৎক্ষণিক তিন তালাক বিল। শুক্রবার ফের বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। আলোচনা পর্ব শুরু হতেই কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর বিলের সমালোচনা করে বলেন, এটি একটি বৈষম্যমূলক বিল। স্ত্রীকে ছেড়ে যাওয়ার উদাহরণ কেবল একটি ধর্ম সম্প্রদায় নয়, সমস্ত ধর্মের পুরুষদের মধ্যেই দেখা যায়। মুসলিম ভিন্ন অন্য ধর্মের মহিলারা কি স্বামীর এমন মনোভাবের শিকার হন না? প্রশ্ন থারুরের। তাঁর দাবি, শুধু মুসলিম পুরুষদের উদ্দেশ্য করে নয়, একটি অভিন্ন নীতির ভিত্তিতে তৈরি হোক বিল।




