জাতীয় কংগ্রেসের সমার্থক শব্দ ছিলেন মানস রঞ্জন ভুঁইয়া। রাজনৈতিক জীবনের টানা ৩৫ বছর কংগ্রেসের হাতকে বাংলার ভূমিতে মুষ্টিবদ্ধ করে রেখেছিলেন তিনি। জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান পর্বের সময় থেকেই বাংলায় সবংয়ের প্রার্থী হয়ে ভোট লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিলেন। এরপর কেটে গেছে ৪ দশক। ২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে এবার তৃণমূলের হয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং কেন্দ্রের মানুষের কাছে ভোট চাইবেন মানস রঞ্জন ভূইয়া।
রাজনীতির ভূমিতে প্রথম হাতেখড়ি জাতীয় কংগ্রেসে যোগদানের মধ্য দিয়ে। ১৯৮২ সালে প্রথম তিনি বিধায়ক হন। এরপর ২০১১ তে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও কংগ্রেস জোট করলে লড়লে ফের সবং থেকে বিধায়ক হন তিনি। জোটের সময় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন তিনি। নির্বাচনে জয়লাভ করে মানস ভুঁইয়া রাজ্যে মন্ত্রী হন।
২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের জোট হয়। ফের সবং থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জেতেন তিনি। এর দীর্ঘদিনের কংগ্রেসের সম্পর্ক ছেদ করে যোগদান করেন তৃণমূল কংগ্রেসে। ৩৫ বছরের লম্বা জার্নির অবসান ঘটে।
আরও পড়ুন: খাগড়াগড় কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড কওসরের ২৯ বছরের জেল
নতুন যাত্রাপথের এক বছরের মাথায় তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্যসভায় পাঠান মানস ভুঁইয়াকে। এরপর সবংয়ের উপ-নির্বাচনে মানসবাবুর স্ত্রী গীতারানি ভূঁইয়া তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়েন। সবংয়ে পড়ে থেকে দিন-রাত স্ত্রীর হয়ে প্রচার করন মানসবাবু। জেতেন গীতারানি ভূঁইয়া। তারপর কেটে গেছে চার বছর। এবার ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সবংবাসীর কাছে এই প্রথমবার তৃণমূলের হয়ে নিজের জন্য ভোট চাইতে যাচ্ছেন মানস ভুঁইয়া।