মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের মূল্য চোকাতে হয়েছে। হিংসা কবলিত জেলাগুলি পরিদর্শন করতে চাই। এটা আমার সাংবিধানিক কর্তব্য। মন্ত্রীদের শপথ পড়িয়েই রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ তুলে ফের সুর চড়ালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।
গত বুধবার তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করেন মমতা ব্যানার্জি। সোমবার শপথ নেন ৪৩ জন মন্ত্রী।
রবিবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী ছিল। কবি গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জপন করে, তিনি বলেন, চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির। এরপরই রাজ্যপালের দাবি, কিন্তু কবির দুই মূল বক্তব্যই আজ আমাদের মধ্যে থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরাতে হবে। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। আমি ডিজিপি ও সিপির কাছে রিপোর্ট চেয়েছিলাম, কিন্তু কোনও উত্তর পাইনি। কেন? এদিন রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের দিকেও অভিযোগের আঙুল তোলেন ধনখড়।
আরও পড়ুন: বিজেপি ভাইরাস মুক্ত করতে স্যানিটাইজার ছিটিয়ে তৃণমূলে ফেরানো হল একদল কর্মীকে
মমতা সরকারে মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাজ্যপাল। সেখানে তিনি দাবি করেন, গোটা বিশ্ব তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তিনি বলেন, গোটা বিশ্ব জানে সংস্কৃতির পীঠস্থানে কী হচ্ছে। রাজ্যবাসীকে উদ্দেশে করে তিনি বলেন, উদ্বেগের কারণ হল, ভোট দেওয়ার অধিকার প্রয়োগের দাম দিতে হচ্ছে আপনাদের। ভোট যদি আপনার মৃত্যুর কারণ হয়। ভোটের জন্য যদি লুঠের শিকার হতে হয়। শুধু তাই নয় আপনার বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে, তাহলে সেখানেই সংবিধান শেষ। দিনের পর দিন এরকম চলতে থাকলে গণতন্ত্র একদিন থমকে যাবে, দাবি রাজ্যপালের।
রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে দাবি করেন, হিংসা কবলিত এলাকায় যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টার চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে পাইলট ও হেলিকপ্টার কোনোটাই দেওয়া হয়নি। গোটা ঘটনায় তিনি যে হতাশ, তাও জানিয়েছেন রাজ্যপাল।




