আগেই জানিয়েছিলেন তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে তাঁর সরকারের প্রধান লক্ষ্য পশ্চিবঙ্গকে দেশের মধ্যে শিল্পে শীর্ষে স্থানে নিয়ে যাওয়া। শুক্রবার ভবানীপুরে ভোট প্রচারে গিয়ে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, রাজ্যকে শিল্পে শীর্ষ স্থানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই তাঁর সরকার কাজ করছে। এদিন তিনি দাবি করেন, অস্ট্রেলিয়ার এক কোম্পানি একটি সার্ভে করেছে, যাতে দেখা গিয়েছে রাজ্যে যে পরিকাঠামো রয়েছে তাতে আগামী ২০ বছরে বিনোয়োগের দিক থেকে দেশের ১ নম্বর শিল্পক্ষেত্র হবে পশ্চিমবঙ্গ।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, আগামী ৩,৪ বছরের মধ্যেই দেউচাপাঁচমি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লাখনির হতে চলছে। তাঁর দাবি, কয়লা উত্তোলন শুরু হলে আগামী ১০০ বছরে রাজ্যে বিদ্যুতের অভাব থাকবে না। এমনকী বিদুৎতের খরচও কমবে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ডানকুনি থেকে পুরুলিয়ার রুঘুনাথপুর পর্যন্ত ‘ডেটিকেটেড ফেড করিডোর’এর জন্য ৭২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে রাজ্য। পাশাপাশি পানাগড়েরের শিল্পতালুকেও ৩২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সিলিকন ভ্যালির ধাঁচে রাজ্যে আইটি পার্ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। ভবিষৎতে এখান থেকে কয়েক হাজার যুবক যুবতীর চাকরি হবে।
এছাড়াও শুক্রবার ভোট প্রচারে গিয়ে ফের একবার মৎস চাষ, পোল্ট্রি ফার্মের মতো স্বল্প পুঁজির শিল্পে বিনিয়োগের কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এখনও রাজ্যে রোজ ৮০ লক্ষ ডিমের চাহিদা রয়েছে। এই জাতীয় স্বল্প পুঁজির শিল্পে ভবিষৎ-এ ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন: ক্রিসমাস ফ্যাস্টিভ্যাল উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী, সতর্ক করলেন ওমিক্রন নিয়ে