ত্রিপুরা এয়ারপোর্টে তৃণমূল নামলেই তালিবানি কায়দায় ওদের উপর হামলা করতে হবে। বুধবার একটি দলীয় সভায় গিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন, ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক অরুণ ভৌমিক। তাঁর এই বিতর্কিত বক্তব্য ভাইরাল হতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে।
তালিবান শাসনের নজির দেখে কার্যত আতঙ্কিত গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি বিধায়ক তাঁর ভাষণে বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উস্কানিতে তৃণমূল বিপ্লব দেবের সরকারের উপর আঘাত করার চেষ্টা করছে। আমি আপনাদের কাছে আবেদন করবো তালিবানি কায়দায় এদের আক্রমণ করতে হবে। এয়ারপোর্টে নামলেই এদের হামলা করতে হবে। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে আমরা বিপ্লব দেবের সরকারকে রক্ষা করবো।
বিজেপি বিধায়কের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল।অরুণ ভৌমিকের গ্রেফতারির দাবি তুলে সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির।
আরও পড়ুন: ঘৃণা ছড়ানোর মন্তব্য দেশের ৫৮ জন সাংসদ, বিধায়কের বিরুদ্ধে, এডিআরের রিপোর্টে প্রকাশ।
তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ ট্যুইটে বিজেপিকে এক হাত নিয়েছেন। তাঁর দাবি, বিজেপির মানানসই ভাষাতেই বিধায়ক কথা বলেছেন। অরুণ ভৌমিকের বক্তব্যের অংশ শেয়ার করে তিনি লেখেন, বিজেপি বিধায়ক বললেন, তৃণমূল নেতারা এয়ারপোর্টে নামলেই তালিবানি কায়দায় আক্রমণ করতে হবে। ত্রিপুরা পুলিশ সুয়ো মোটো মামলা করবেন না?
https://twitter.com/KunalGhoshAgain/status/1428041725725986817?s=20
২০২৩ ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল। অভিষেক ব্যানার্জি থেকে শুরু করে তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব ত্রিপুরায় গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। সম্প্রতি সায়নী ঘোষও ত্রিপুরায় গিয়ে হেনস্থার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ। বলেন, বিজেপির নির্দেশে তাঁদের হোটেল কতৃপক্ষ নানানভাবে হেনস্থা করছেন। বার বার খাওয়ার অর্ডার করলেও তা দেওয়া হচ্ছে না, পাঁচতারা হোটেল লোডশেডিং করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনকী হোটেলে রাজনৈতিক আলোচনা করা যাবে না বলেও ফতোয়া জারি হয়েছে। সায়নী বলেন, বিজেপির শাসনে ত্রিপুরায় গণতন্ত্রের গণহত্যা হচ্ছে।




