তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৭৯ ধারায় কোনও আইনি রক্ষাকবচ পাবে না ট্যুইটার। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার অভিযোগ ছিল ট্যুইটারের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে মামলার প্রেক্ষিতে আইনি রক্ষাকবচ হারাল ট্যুইটার বলে মনে করা হচ্ছে।
কেন্দ্রের নয়া তথ্যপ্রযুক্তি নিয়মের শর্তপূরণ করা নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে বহুজাতিক মাইক্রো ব্লগিং সাইটের দ্বন্দ্ব চলছিল। এরমধ্যে যোগ হয় উত্তরপ্রদেশে একটি ভিডিওকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার অভিযোগ।
জানা গেছে, কেন্দ্রের আনা এই নয়া নীতি অনুযায়ী, ভারতের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলিকে চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার, রেসিডেন্ট গ্রিভান্স অফিসার নিয়োগ করতে হবে। কিন্তু প্রথম থেকেই সেই নীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সংঘাত শুরু হয় টুইটারের। ৫ জুন কেন্দ্রের চূড়ান্ত নোটিশের পর কিছুটা সুর নরম করে এই মাইক্রো ব্লগিং সাইট। এরপর কেন্দ্রের তরফে টুইটারকে এক সপ্তাহের মধ্যে শর্ত পূরণ করার কথা জানানো হয়।
মঙ্গলবারই টুইটার জানায়, নয়া নীতি নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নিয়োগ করা হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসারও। কিন্তু এরমধ্যেই ঘটে যায় উত্তরপ্রদেশের ঘটনা। তাতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি অভিযুক্ত হিসেবে মামলা হয় ট্যুইটারের বিরুদ্ধেও। এরপরই আইনি রক্ষাকবজ তুলে নেওয়া হয় ট্যুইটারের উপর থেকে।




