আগের সংখ্যাতেই লিখেছি, ২০০৯ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর মেদিনীপুর শহরের একদম লাগোয়া আমাদের এনায়েতপুর লোকাল কমিটির অফিসে মাওবাদীদের আক্রমণের কথা। সেদিন প্রায় সারারাত মাওবাদীদের আক্রমণের প্রতিরোধ চলে। তীব্র গণ-প্রতিরোধের সামনে মাওবাদীরা পিছু হঠে। এই প্রতিরোধের ফলে আমাদের কর্মীদের মনোবল অনেকটাই বেড়ে যায় এবং পরবর্তীকালে জঙ্গল এলাকায় মাওবাদীদের মোকাবিলার ক্ষেত্রে সেই অভিজ্ঞতা বিশেষ কাজে লাগে। এমন এক প্রতিরোধ এবং আমার ঘনিষ্ঠ এক কমরেডের সাহসিকতার কাহিনী আজকের পর্বে উল্লেখ করব।
২০১০ সাল পার্টি এবং সারা রাজ্যের মানুষের কাছে খুবই ঘটনাবহুল ও বড় ঘটনা ঘটে যাওয়ার বছর। সেই বছরের শুরুতেই, জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ দীর্ঘ অসুস্থতার পর কমরেড জ্যোতি বসু প্রয়াত হন। এটা রাজ্যের মানুষের নিকট তো বটেই, সারা দেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের কাছে ইন্দ্রপতন বলতে যা বোঝায়, এক কথায় তাই। ব্যক্তিগতভাবে জ্ঞান হওয়ার পর যখন স্কুল শেষ করে কলেজ জীবনে প্রবেশ করি, তখন থেকেই এই নামটা দেহ-মনের সঙ্গে প্রায় একাত্ম হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীকালে যখন ওই মানুষটির সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়, তখনকার সেই সব ঘটনা এক এক করে মনের মধ্যে ভেসে উঠতে থাকে। শেষবার যখন উনি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন, তাঁকে দেখতে যাই। তখন তাঁর অবস্থা খুবই খারাপের দিকে। প্রায় দিনই দিল্লি থেকে, দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে সব রাজনৈতিক দলের নেতারা হাসপাতালে আসছেন তাঁকে দেখতে। চিকিৎসকরাও সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য। শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টাই ব্যর্থ করে দিয়ে তিনি চলে গেলেন। রাজ্য পার্টি দ্রুততার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল, সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ যাতে শেষবারের জন্য তাঁদের প্রিয় নেতাকে দেখার সুযোগ পান, সেজন্য বিধানসভা ভবনে জ্যোতি বসুর মরদেহ শায়িত রাখা হবে। তারপর সেখান থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে দেহ দান করা হবে।
গোটা রাজ্যের মানুষ সেদিন কলকাতার বিধানসভা ভবনমুখী। দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে সব দলের নেতারা আসছেন তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। অন্যদিকে, হাজার হাজার মানুষ শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ফুল আর চোখের জলে তাঁদের প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখে নিয়ে চোখের জলে বিদায় জানিয়ে সারিবদ্ধভাবে বেরিয়ে যাচ্ছেন। সে এক বেদনাবহুল অনির্বচনীয় দৃশ্য। মানুষের স্রোত আর শেষ হচ্ছে না। সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে শেষ বিদায় জানাতে হলে সন্ধ্যার আগেই তা করতে হবে। তাই বিধানসভা ভবন থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ যাত্রা শুরুর জন্য কিছুটা সময় দরকার। সেজন্য যাঁরা লাইন দাঁড়িয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাচ্ছিলেন এক সময় তা বন্ধ করতে হল। বিধানসভার যে ফটক দিয়ে মানুষ প্রবেশ করছিলেন তার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হল। তখনও ফটকের বাইরে কত মানুষ ছিলেন তা বলার ক্ষমতা আমার নেই। বিধানসভা ভবন থেকে শেষ যাত্রার সময়, বাইরের হাজার হাজার মানুষ সেই শেষ যাত্রায় শামিল হন। এসএসকেএম হাসপাতালের সামনে তাঁকে শেষ বিদায় জানিয়ে ভারাক্রান্ত মন নিয়ে কলকাতার বাসায় ফিরে গেলাম। সারা দেশের বামপন্থী আন্দোলন, সংগ্রামে উনি নিজেই একটি মহীরূহে পরিণত হয়েছিলেন। এককথায় উনি নিজেই একটা ইতিহাস। প্রকৃতির নিয়ম মেনে সেই ইতিহাসের সমাপ্তি অধ্যায় লেখা হয়ে গেল।
বাসায় ফেরার পরে ওনার সঙ্গে প্রথম দিন সাক্ষাৎ হওয়ার ঘটনা থেকে, সব কথাই নতুন করে মনের পাতায় ভেসে উঠতে আরম্ভ করল। যেদিন প্রথম দেখা ১৯৮৫ সালের উপনির্বাচনে, সবে মাত্র ২৫ বছরের বয়সসীমা অতিক্রম করেছি। পার্টি আমাকে গড়বেতা পূর্ব বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী করে। তৎকালীন বিধায়ক কমরেড শুভেন্দু মণ্ডলের আকস্মিক মৃত্যুতে। তার আগে অনেক দূর থেকে জ্যোতিবাবুকে মঞ্চে দেখেছি অনেকবার। কিন্তু কাছ থেকে একই মঞ্চে থাকা, দেখা ও ওনার উপস্থিতিতে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ আগে হয়নি। সেই জনসভায় উনি প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। অবিভক্ত মেদিনীপুরের তৎকালীন জেলা সম্পাদক সুকুমার সেনগুপ্ত সেদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। সুকুমারদা’ই আমাকে জ্যোতিবাবুর কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, ‘এ আমাদের উপনির্বাচনের প্রার্থী।’ উনি সুকুমারদা’কে বললেন, ‘বাহঃ এতো একেবারে কলেজ ছাত্র। খুব ভালো করেছেন, নতুনদেরকেই আরও বেশি বেশি করে দায়িত্বের সঙ্গে আগামী দিনে দলে যুক্ত করতে হবে।’
জীবনে সেই দিনই প্রথম শ্রদ্ধেয় জ্যোতি বসু, শ্রদ্ধেয় সুকুমার সেনগুপ্তর মতো নেতাদের উপস্থিতিতে আমার জনসভায় বলার সুযোগ হয়েছিল। এরপর আরও অনেক অভিজ্ঞতা আছে। সেই স্মৃতিচারণা আমার লেখাতে করব না। কিছু কথা আগের পর্বগুলিতে উল্লেখ করেছি। ওনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, প্রশাসন পরিচালনায় অনবদ্য দৃঢ়তা, যা আমাদের পার্টির সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ও বারবার বাম সরকারের ফিরে আসতে সাহায্য করেছিল।
জ্যোতিবাবুর মৃত্যু কয়েক দিন পরের ঘটনা। সম্ভবত জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির প্রথমের দিকে হবে, তারিখটা ঠিক মনে নেই। আমরা গড়বেতার গোয়ালতোড় এলাকায় এক ভয়ঙ্কর ঘটনার মুখোমুখি হই। সেদিনের সেই ঘটনা একান্তভাবেই লেখায় উল্লেখ করা প্রয়োজন। তখন মাওবাদীদের অতর্কিত আক্রমণ প্রতিহত করতে, গোটা জঙ্গলমহলেরই এলাকায় এলাকায় আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের ক্যাম্প তৈরি করতে হয়েছিল। গোয়ালতোড় ব্লক এলাকার হুমগড়-আমলাশলি লাগোয়া লগিনোয়ারিতে জঙ্গলের পাশে আমাদের এরকম একটি স্বেচ্ছাসেবক ক্যাম্প ছিল। তাতে পার্টির ১২-১৪ জন স্বেচ্ছাসেবক, রাত জেগে সতর্কভাবে পাহারা দিত।
একদিন হঠাৎ রাত একটা নাগাদ ফোনে খবর পাই যে, ভালুকবাসার গভীর জঙ্গল থেকে এসে মাওবাদীরা অতর্কিতে লগিনোয়ারিতে আমাদের ক্যাম্প লক্ষ্য করে ফায়ার করছে। ক্যাম্পটি গ্রামের পাশে একটি একতলা পাকা বাড়িতে ছিল। গুলির আওয়াজে গ্রামবাসীরাও জেগে গেছে। কিন্তু ওই মুহূর্তে অন্ধকারে মাওবাদীরা যেভাবে ফায়ারিং করছে, তাতে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের ওই ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে আসার কোনও উপায় নেই। ক্যাম্পের বাইরে বেরোলে যে কোনও মুহূর্তে গুলিবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা। রাত একটা নাগাদ ওই ক্যাম্প থেকে এক কমরেডের ফোন আসে। ফোনে ক্যাম্পের কমরেডদের কাতর আবেদন, কিছু একটা না করলে মাওবাদীদের আক্রমণে আজ তাঁদের খুন হয়ে যেতে হবে। কারণ, প্রচুর সংখ্যায় মাওবাদী ক্যাম্পের প্রায় কাছে এসে নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। এই ফোন পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করার পরেও পুলিশ সরাসরি জানিয়ে দেয়, এই গভীর রাতে ওই দুর্গম এলাকায় তাঁদের পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। দিনের আলো না ফুটলে তাঁরা কিছুই করতে পারবেন না। কেননা ইতিমধ্যে ল্যান্ডমাইন দিয়ে পুলিশের গাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার একাধিক ঘটনা মাওবাদীরা সংগঠিত করেছে। সে এক অসহায় পরিস্থিতি। ইতিমধ্যেই ক্যাম্পের স্বেচ্ছাসেবকদের পরিবারের লোকেরাও জেনে গেছে যে, তাঁদের বাড়ির সদস্যরা আক্রমণের মুখে পড়েছেন। যে কোনও মুহূর্তে খুন হয়ে যেতে পারেন তাঁরা। এরপর তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকেও বারবার ফোন আসতে থাকে। কিছু একটা করার জন্য কাতর আবেদন করতে থাকেন তাঁরা। ওই সময় কী করব ভেবে উঠতে পারছি না। চারিদিক থেকে শুধু কমরেডদের মুহূর্মূহু ফোন, ‘একটা কিছু করুন, একটা কিছু করুন।’
তখন হঠাৎই মনে পড়ল, লগিনোয়ারির অল্প কয়েক কিলোমিটারের মধ্যেই আমাদের পার্টির জোনাল কমিটির গুরুত্বপূর্ণ নেতা কমরেড কিরীটী হাজরা কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবককে সঙ্গে নিয়ে নজরদারির কাজেই রয়েছেন। তখন কিরীটীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলাম। কমরেড বলল, সেও ইতিমধ্যে এই খবর পেয়েছে। তখন আমি বললাম, এই অবস্থায় রাতে পুলিশ ওখানে যাবে না। ক্যাম্পের কমরেডদের বাঁচাতে আমাদেরই কিছু একটা করতে হবে। কিরীটী বলল, ‘আমরা তো মাত্র ৬-৭ জন আছি। এই অবস্থায় আমাদের পক্ষে কিছু করা কি ঠিক হবে?’ তখন আমি বললাম, কিরীটী, আমরা যদি কিছু করতে না পারি, ওই ক্যাম্পের সমস্ত কমরেড যদি খুন হয়ে যায়, তাহলে মাওবাদীদের সঙ্গে যে লড়াইটাকে আমরা এত দূর পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে এসেছি, তা আর ধরে রাখা সম্ভব হবে না। সেও তখন আমার কথায় একমত হল যে, ওই ক্যাম্পের ১২-১৩ জন কমরেডের কিছু একটা হয়ে গেলে আমাদের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে। এরপর ওর সাথে লড়াইয়ের কৌশল নিয়ে টেলিফোনেই কিছু আলোচনা করলাম। কিরীটী বলল, ‘আমাদের কাছে মাত্র ৩ টে মোটর সাইকেল আছে।’ ওকে বললাম, মোটর সাইকেলের লাইট না জ্বালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত পৌঁছবে। মোটর সাইকেলের সাইলেন্সর পাইপ খুলে দাও, যাতে জোর আওয়াজ শুনে মাওবাদীরা মনে করে একসঙ্গে অনেক গাড়ি আসছে।’ সেই আলোচনা মতো ৩ টে মোটর সাইকেলে ৫ জনকে নিয়ে কমরেড কিরীটী আমাদের আক্রান্ত ক্যাম্পের দিকে তৎক্ষণাৎ রওনা হয়ে যায়। আলোচনা করে আরও দুটি কৌশল গ্রহণ করা হয়। যা কিরীটীরা কার্যকর করার পরেই মাওবাদীরা বুঝতে পারে যে, তারা পালটা প্রতিরোধের সামনে পড়তে যাচ্ছে। তখন তারা ফায়ারিং বন্ধ করে। আমাদের এই পরিকল্পনার ফলে গ্রামবাসীরাও তাদের মতন করে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা দেয়। এসব বুঝতে পেরে মাওবাদীরাও তাদের আক্রমণ থামিয়ে দেয়। ইতিমধ্যে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। গোটা গ্রামের মানুষই জমায়েত হয়েছে। কমরেড কিরীটী হজরাও সেখানে পৌঁছে যায়। সেই রাতে মাত্র ৩ টে মোটর সাইকেলে ৪-৫ জনকে নিয়ে অসমসাহসী কিরীটী যদি ওই ভূমিকা পালন না করত, তাহলে গোয়ালতোড়ের লগিনোয়ারি ক্যাম্পের ওই ১২-১৩ জন কমরেডকে আমরা হয়তো সেই রাতেই হারাতাম।

এই ঘটনার কথা উল্লেখ করলাম এই জন্য যে, এই লেখা চলাকালীনই গত ২০ শে অগাস্ট আকস্মিকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন কমরেড কিরীটী হাজরা। তিনি সাহসী, নির্ভীক এবং তাঁকে আদর্শের প্রতি আনুগত্যের চূড়ান্ত এক দৃষ্টান্ত বলা যায়। অনেক আক্রমণের সম্মুখীন হয়েছিলেন, জীবন সংশয়ের মতো পরিস্থিতিও হয়েছে একাধিকবার। গড়বেতায় তাঁর পরিবারের উপর চরম আঘাত এসেছিল। যার জেরে ২০১১ সালের পর কমরেড কিরীটী হাজরা গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। গড়বেতায় আমাদের যে কমরেডরা কাজ করেন, তাঁদের মধ্যে বয়স সবচেয়ে কম ছিল কিরীটীর। অনেকটা ছোট। জেদ ছিল প্রচণ্ড। বলত, এলাকায় যেদিন ফিরব, মাথা উঁচু করে ফিরব, আত্মসমর্পণ করে নয়। অকাল প্রয়াণে তাঁর আর মাথা উঁচু করে এলাকায় ফেরা হল না ঠিকই। কিন্তু তাঁর মৃতদেহ যখন ফিরল তখন কিরীটীর গ্রামের বাড়ি গিলাবনি যাওয়ার রাস্তাজুড়ে শুধু মানুষের স্রোত। আবাল, বৃদ্ধ, বণিতা সকলেই সেদিন রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছিলেন। শতশত মানুষ রাস্তাজুড়ে উপস্থিত। তাঁদের চোখের জলের মধ্যে দিয়েই কমরেড কিরীটী হাজরা এবং পার্টির প্রতি গড়বেতার মানুষের ভালোবাসার কোন জায়গায় আমরা আছি, তা প্রমাণিত হয়।
মেদিনীপুর আদালতে যেদিনই আমার মামলার শুনানি থাকত, দেখা করার জন্য বেশিরভাগ দিন কিরীটী নিজে হাজির থাকতো। শেষবার যখন এবছর জানুয়ারিতে আদালতে যাই তখন কিরীটী তাঁর একমাত্র পুত্রকে নিয়ে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। শত দুঃখ, কষ্ট সত্ত্বেও কিরীটির মুখের হাসি কোনও দিন মিলিয়ে যায়নি। এরপর মেদিনীপুর আদালত থেকে মামলা বারাসত আদালতে স্থানান্তরিত হওয়ার ফলে আমার মেদিনীপুরে যাওয়া এবং কিরীটীর সঙ্গে সাক্ষাৎও বন্ধ হয়ে যায়। এই লেখার মাঝেই কিরীটীর মৃত্যু ঘটে যাওয়ায়, আমার লেখার মাধ্যমে তাঁকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে, তাঁর প্রসঙ্গ উল্লেখ করলাম।

(চলবে)

You may also like