এখনও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘জওয়াদ’। রবিবার দুপুরে ওড়িশার উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে বিধংসী ঝড়ের। আর যার জেরে শনিবার থেকেই রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি সাথে ঝোড়ো হাওয়া। এদিন সকাল থেকেই দিঘা, মন্দারমণি সহ পূর্ব মেদিনীপুরে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকায় নামানো হয়েছে উদ্ধারকারী টিম।
পূর্ব মেদিনীপুরের পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুরেও শুরু হয়েছে হাল্কা বৃষ্টিপাত। একই সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। কাকদ্বীপ, পাথরপ্রতিমা সহ উপকূলের এলাকাগুলির ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে প্রশাসন। এনডিআরএফ-এর টিম নামানো হয়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে পর্যটক কাউকেই সমুদ্রে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনের তরফে জায়গায় জায়গায় ২৪ ঘন্টার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। উপকূলের মানুষদের উঁচু জায়গায় পাকা বাড়িতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ হচ্ছে। প্রচুর শুকনো খাওয়ার, জল মজুত করা হয়েছে।
‘যশের’ ক্ষত এখনও টাটকা। তার মধ্যেই জওয়াদ আসায় বিপর্যয় মোকাবিলাতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকে এলাকায় ঘুরে ঘুরে মাইকিং শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, রবিবার বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে।
আরও পড়ুন: আপার প্রাইমারির নিয়োগ জটিলতা কি এবার সমাধানের পথে? নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল SSC




