তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল সিআইডি। চার্জশিটে ‘সন্দেহভাজন’ হিসেবে আছে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের নামও। মুকুলের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা না হলেও তাঁর বিষয়ে আরও তদন্ত করার জন্য সময় চায় সিআইডি। আদালত তিন মাস সময় মঞ্জুর করেছে। অন্যদিকে এসিজেএম প্রত্যয়ী চৌধুরী আগামী ১৪ অক্টোবর জগন্নাথ সরকারকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন জারি করেছেন।
২০১৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে নদিয়ার ফুলবাড়ি এলাকায় সরস্বতী পুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে আততায়ীদের গুলিতে গুরুতর জখম হন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। খুব কাছ থেকে তাঁকে একাধিকবার গুলি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় হাঁসখালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। গত বছরই আততায়ীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। রানাঘাট আদালতে পেশ করা সিআইডি’র প্রথম চার্জশিটে তাঁর নাম ছিল না।
সিআইডির দাবি, সত্যজিৎ বিশ্বাসকে খুনের আগে ও পরে অভিযুক্ত অভিজিৎ কুন্ডারি ও নির্মল ঘোষকে বেশ কয়েকবার ফোন করেন বিজেপি সাংসদ। সেই তথ্যপ্রমাণ ও কল ডিটেলস হাতে আছে বলে সিআইডির দাবি।
আরও পড়ুন: কয়লা পাচারকাণ্ডে জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে তলব CID’র, শুক্রবার ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ
সংসদের অধিবেশন চলায় এখন দিল্লিতে আছেন জগন্নাথ সরকার। তিনি জানিয়েছেন, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রথম চার্জশিটে কেন তাঁর নাম ছিল না সে প্রশ্নও তোলেন। আর তৃণমূল বিধায়ক খুনে নাম জড়িয়ে যাওয়ায় মুকুল রায়ের প্রতিক্রিয়া, পুরো তদন্তটাই জাল। প্রথমে চার্জশিটে নাম বাদ দেওয়া হল, আবার ঢোকানো হল। এই ঘটনার বিন্দুবিসর্গ আমি জানি না।




