একইদিনে জোড়া জনসভা মমতা ব্যানার্জির। মঙ্গলবার প্রথমে কালনা তারপর বহরমপুরে জনসভা ছাড়াও পানাগড়ে মাটি উৎসবেরও সূচনা করবেন তিনি। ভোটের আগে অধীর গড়ে মমতার জনসভা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে রাজনৈতিক দিক থেকে কালনায় মুখ্যমন্ত্রীর জনসভাও তাৎপর্যপূর্ণ।
২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব বর্ধমান জেলার ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪-টিতে জয়ী হয় তৃণমূল। লোকসভাতেও কালনায় ভালো ফল করেছিল তৃণমূল।
কিন্তু এরপর রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। বর্ধমান-পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডল যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছেন কালনার বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু। কালনার সভা থেকে কি বার্তা দেন মমতা, সেই দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুন: সেই যাদবপুর, ফের দায়ের হল র্যাগিংয়ের অভিযোগ; সরগরম বিশ্ববিদ্যালয়ে
এদিন সকালে কালনা ২ ব্লকের বৈদ্যপুর রামকৃষ্ণ বিদ্যাপীঠের মাঠে সভাস্থল পরিদর্শন করেন তৃণমূলের কালনা শহর সভাপতি দেবপ্রসাদ বাগ। জেলা পুলিশের কর্তারাও মাঠ পরিদর্শন করেন। সভাস্থলে তৈরি হয়েছে দুটি মঞ্চ। একটি মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী ভাষণ দেবেন। পাশে একটি মঞ্চে ৩০ জন নেতানেত্রীর বসার ব্যবস্থা।
কালনা ২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রণব রায় জানিয়েছেন, ‘‘সভায় প্রচুর মানুষের সমাগম হবে। সকলকে জায়গা দেওয়া যাবে না ধরে নিয়েই রথতলা ময়দান-সহ দু’টি এলাকায় জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হচ্ছে।
এদিন পানাগড়ের সাধনপুরে কৃষি খামারে আয়োজিত হবে মাটি উৎসব। উৎসবের সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার উত্তরবঙ্গ যাবেন মুখ্যমন্ত্রী, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এবং মালদায় জনসভা করবেন।
আরও পড়ুন: এক ধাক্কায় তাপমাত্রা নেমেছে ১৫ ডিগ্রিতে, ফের শীতের স্পেল দেখার অপেক্ষায় বঙ্গবাসী




