Take a fresh look at your lifestyle.

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে মর্মান্তিক মৃত্যু ১৮ জনের, আহত অনেকে

দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাত-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর। বৃহস্পতিবার দুপুর হতেই একাধিক জেলায় আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামে। অনেক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিও হয়। আর এই বজ্রপাতের ঘটনায় একাধিক জেলা থেকে মৃত্যুর খবর সামনে এল।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বজ্রপাতে ১৮ জন মারা যান, আহত হন সাত জন।
বাঁকুড়ার কোতুলপুর, ওন্দা, ইন্দাস, জয়পুর ও পাত্রসায়ের থানা এলাকায় বজ্রপাতে এদিন ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন দু’জন। বৃষ্টির মধ্যেই মাঠে আমন ধানের চারা লাগাচ্ছিলেন কোতুলপুর থানার খিরি গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউল হক মোল্লা ও আসপিয়া মোল্লা। আচমকা বজ্রপাত হলে দু’জনেই জমিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা জিয়াউল হক মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আসপিয়া মোল্লা ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাঁকুড়ার ওন্দাতে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে একজনের। তাঁর নাম নারায়ণ সাওয়ার। তাঁর বাড়ি ওন্দা থানার কামারকাটা এলাকায়।
ইন্দাস থানার বাঙালচক এলাকায় বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে শেখ ইসমাইলের (৫৫)। আহত হয়েছেন বুলটি বাগদি নামে এক মহিলা। বাঁকুড়ার জয়পুর থানার খড়িকাশুলি গ্রামে বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে উত্তম ভুঁইয়ার (৩৩)। পাত্রসায়রের হাটকৃষ্ণনগরে মাঠে চাষ করার সময়ে বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে জীবন ঘোষের (২০)। এ ছাড়াও বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে বাঁকুড়ার রামকৃষ্ণপুরের বাসিন্দা তিলকা মাল (৪৯) এবং ভাদুলডাঙ্গার বাসিন্দা জবা বাউরির (৩৮)।

Comments are closed.