সিপি-এসপিদের পর এবার ওসি-আইসিদের অপসারণ শুরু করল নির্বাচন কমিশন। তৃতীয় দফার ভোট শুরু হওয়ার ঠিক আগের দিন, নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করার অভিযোগে সরিয়ে দেওয়া হল, রঘুনাথপুর, ফারাক্কা ও বীজপুরের আইসি, বারবনী ও অণ্ডাল থানার ওসি, সামশেরগঞ্জের এএসআই এবং বিষ্ণুপুরের এসডিপিওকে।
রবিবার নির্বাচনী জনসভা থেকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, একের পর এক অফিসারকে সরিয়ে সরকারি অফিসারদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। রাজ্য সরকারকে বাদ দিয়ে সমান্তরাল প্রশাসন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন মমতা। রাজ্যের বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক বাংলার বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে শনিবারই বিহারের তুলনা টেনেছিলেন। তার দু’দিন বাদেই ফের পুলিশ বদলি হল।
মুর্শিদাবাদের রঘুনাথপুরের আইসি সৈকত রায়, ফারাক্কার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ, সামশেরগঞ্জ এসআই বিধান হালদার, পূর্ব বর্ধমানের বারাবনি ও অণ্ডাল থানার আধিকারিক অজয় মণ্ডল ও রাজশেখর মুখোপাধ্যায়, উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুরের আইসি কৃষ্ণেন্দু ঘোষ, বিষ্ণুপুরের এসডিপিও সুকোমলকান্তি দাশকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবারের মধ্যেই এই নির্দেশ কার্যকর করতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: আর ধর্নায় বসা যাবে না; হাইকোর্টে ধাক্কা টেট চাকরিপ্রার্থীদের
এর আগে এভাবেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কলকাতা ও সল্টলেকের সিপি এবং মালদা, ডায়মন্ড হারবার, কোচবিহার এবং বীরভূমের পুলিশ সুপারদের। এবার ওসি-আইসি পর্যায়ের অফিসারদেরও সরিয়ে দিল কমিশন। অপসারিত অফিসারদের নির্বাচনের কাজে লাগানো যাবে না বলে কমিশনের নির্দেশ।




