উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূল কী করবে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা ছিলই। ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ শেষে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দিল ঘাসফুল শিবির। উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দান থেকে বিরত থাকবে তারা। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
অভিষেক ব্যানার্জি জানান, এদিনের বৈঠকে প্রায় ৮৫% তৃণমূল সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সকলেই জানিয়েছেন, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জিকে না জানিয়ে যে ভাবে প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে, তা সঠিক হয়নি। তাই তাঁরা এই ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবেন না।
অভিষেকের কথায়, NDA জোট যাঁকে প্রার্থী করেছেন সেই জগদীপ ধনখড়ের কী দৃষ্টিভঙ্গি তা সবাই জানেন। সে নিয়ে কিছু বলব না। তাঁকে সমর্থন করার কোনও প্রশ্নই নেই। আবার বিরোধীরা মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই তৃণমূলের প্রায় সমস্ত সাংসদই ভোট দানের প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকার পক্ষে মত দিয়েছেন। অভিষেক ব্যানার্জি এও বলেন, মার্গারেট আলভার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক ভালো। কিন্তু হঠাৎ করেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। আমাদের ভাবনাতেও কয়েকজনের নাম ছিল।
আরও পড়ুন: উত্তরাখণ্ডে ভয়াবহ তুষার ধ্বসে মৃত ৮, উদ্ধার ৩৮৪ জনকে
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূল নেত্রীই কার্যত মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ সভাপত যশবন্ত সিনহা প্রার্থী হন। সেই সময়ে তাঁর মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় অভিষেক ব্যানার্জিকে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু মার্গারেট আলভার মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধিকে দেখা যায়নি। তখন থেকেই তৃণমূলের অবস্থান নিয়ে জল্পনা ছিল রাজনৈতিক মহলে।




