বিজেপির সিইএসসি চলো কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার, ব্যস্ত দিনে রাজপথে নাজেহাল সাধারণ মানুষ

বিজেপির সিইএসসি অভিযানকে কেন্দ্র করে বুধবার উত্তাল হল ধর্মতলা। চলল কাঁদানে গ্যাস, লাঠি। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা ইট ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। সব মিলে কাজের দিনে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ধর্মতলা চত্বর। যার জেরে রাস্তায় আটকে পড়ে নাজেহাল হলেন সাধারণ মানুষ।
আগেই বিদ্যুতের মাসুল কমানোর দাবিতে এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। নির্ধারিত সময়ে বিজেপির রাজ্য দফতর থেকে যুব মোর্চার ব্যানারে বেরোয় মিছিল। সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউ ধরে মিছিল ধর্মতলার দিকে এগোতেই বাধা দেয় পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে শুরু করেন তাঁরা। পিছন পিছন ঢুকে পড়ে মিছিল। কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যায় চিত্তরঞ্জন অ্যাভেনিউ। এই সময় জল কামান দাগা শুরু করে পুলিশ। পাল্টা পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপর কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় বিজেপির মিছিল। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টির তীব্রতা বাড়ে। এরপর লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। পুলিশের লাঠির ঘায়ে রক্তাক্ত হয়েছেন একাধিক বিজেপি কর্মী। আবার বিজেপির মিছিল থেকে ছোঁড়া ইটের ঘায়ে আহত হয়েছেন একাধিক পুলিশকর্মীও। ন্যায্য দাবি নিয়ে মিছিল আটকে দেওয়ার প্রতিবাদে সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউতেই বসে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। তাঁদের অভিযোগ, রাজ্যে গণতন্ত্রের চিহ্ন নেই। তাই বিজেপি রাস্তায় নামলেই পুলিশ লেলিয়ে দিচ্ছে সরকার, অভিযোগ সায়ন্তন বসুর।
পুলিশ-বিজেপি ধস্তাধস্তির মধ্যে পড়ে কোনও সাধারণ মানুষের আহত কিংবা জখম হওয়ার খবর এখনও নেই। তবে বিদ্যুতের মাসুল বৃদ্ধির প্রতিবাদ করে বিজেপির ঘোষিত বিক্ষোভ, তার জেরে পুলিশি নিরাপত্তা এবং তার পরের অবস্থা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যে বাড়িয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Comments
Loading...