করোনার প্রকোপে বন্ধ স্কুল, কলেজ। পেটের টানে স্কুল ছাড়তে হয়েছে দুই খুদে পড়ুয়াকে। দারিদ্র্যকে জয় করে পড়াশোনা চালিয়ে যেত দুই খুদে। কিন্তু স্কুল বন্ধ। পেট চলছে না। আজ রাস্তায় নেমে চশমা বিক্রি করছে দুর্গাপুরের দুই খুদে মহম্মদ আলি ও পারভীন।
মহম্মদ আলি পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়া আর পারভীন চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। ছেলেবেলায় মা মারা গেছেন মহম্মদ আলির। বড় দাদাকে নিয়ে বাবা বাইরে থাকেন। বাড়িতে বৃদ্ধা ঠাকুমা আর ভাইকে নিয়ে পেট চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মহম্মদ আলিকে। তাই রাস্তায় চশমা বিক্রি করে সে।
অন্যদিকে একই গল্প দুর্গাপুরের ওপর ছাত্র পারভীনের। দুর্গাপুরের মহকুমা আদালতের সামনে চশমা বিক্রি করেন এই দুই খুদে পড়ুয়া। এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন আদালতের এক আইনজীবী। তিনি জানিয়েছেন, এখন চশমা বিক্রি করছে, এরপর পেট না চললে হয়তো চুরি করে তারা।
আরও পড়ুন: মঙ্গলে ইকবালপুর, বুধে চেতলা, ভবানীপুর ভোটে টানা প্রচারে মমতা ব্যানার্জি
এই বিষয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, খবর টা পেয়েছি। এই দুই পড়ুয়ার বাড়ি গিয়ে কথা বলব। ওদের সাহায্য করব। সকলের মনে একটাই প্রশ্ন রাজ্যে চালু হয়েছে সব কিছু। হচ্ছে মেলা, শপিং মলগুলিতে ভিড় চোখে পড়ার মতো। আর এই অবস্থায় স্কুল খোলার দাবিতে সরব হয়েছে অনেক অভিভাবক। আর সেখানে দুর্গাপুরের এই চিত্র সত্যিই দুঃখজনক।




