Take a fresh look at your lifestyle.

চাই না ক্ষতিপূরণ, ঋষভের অবস্থা যেন আর কারও না হয়, নিশ্চিত করুক সরকার, বলছে পরিবার

ঋষভের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্নের মুখে CESC

255

বয়স মাত্র ২৫। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন ফারাক্কার ঋষভ মণ্ডল৷ স্বপ্নপূরণের তাগিদ আর মা-বাবার স্নেহে দিব্যি কাটছিল জীবন। কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজভবনের কাছে রাস্তায় জমে থাকা জলে পড়ে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ঋষভের৷

ঋষভের মৃত্যুর একদিন পেরিয়ে গেছে। দূর্ঘটনায় মৃতের পরিবারকে কলকাতা পুরসভা ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে৷ কিন্তু ঋষভের পরিবার জানিয়ে দেয়, তাঁরা ক্ষতিপূরণ চান না৷ তাঁদের একমাত্র দাবি, এই ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সে বিষয়ে সরকার নিশ্চিত করুক।

ঋষভের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্নের মুখে CESC। পরিবারের প্রশ্ন, এই দুর্ঘটনার দায় কার?

ভাইয়ের মৃত্যুতে সরকারকে দায়ী করছেন ঋষভের দিদি বিজেতা মণ্ডল। তিনি বলেছেন, সরকার আমাদের টাকা দিয়ে ভাইয়ের মৃত্যুকে ভুলিয়ে দিতে চাইছে৷ আমি সরকারকে দশগুন টাকা দিচ্ছি, সরকার কি আমার ভাইকে ফিরিয়ে দিতে পারবে?

ছেলের মৃত্যুতে বৃদ্ধ বাবা-মা শোকস্তব্ধ। তাই দেহ নিতে বুধবার ঋষভের জামাইবাবু এসএসকেএম হাসপাতালে পৌঁছন৷ মৃত্যুর কারণ খুঁজে বের করতে FIR করেছে পুরসভা।

Comments are closed.