মঙ্গলবার বাঁকুড়ার মেজিয়ার সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেছিলেন, অমিত শাহের নির্দেশেই কমিশন কাজ করছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবকে ইডির তলব নিয়েও বিজেপিকে আক্রমণ করেছিলেন। এদিনের রাইপুরের জনসভা থেকে সেই আক্রমণের মাত্রা আরও তীব্র করলেন তৃণমূল নেত্রী। হুইলচেয়ারে বসে আহত মমতার হুঁশিয়ারি, দরকার পড়লে ভাঙা পায়ে ইলেকশান কমিশনের সামনে ধরনায় বসব।
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে শুরু থেকেই তৃণমূল নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছেন। ভোট ঘোষণার দিনই মমতা কমিশনের আট দফায় ভোট করানোর সমালোচনা করেছিলেন। বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে কমিশন রাজ্যের এডিজি, ডিজিকে অপসারণ করেছে।
এদিন তৃণমূলের একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান দেওয়ার পাশাপাশি মমতা ফের ঝাড়গ্রামের সভা মঞ্চে লোক না হওয়া নিয়ে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দেন। শাহকে মমতার কটাক্ষ, ফাঁকা মিটিং দেখেছে, বাবুর গোঁসা হয়েছে। তাঁর কটাক্ষ, সারারাত জেগে ফন্দি ফিকির করেছে কীভাবে তৃণমূলকে শেষ করা যায়। উল্লেখ্য গতকাল সফরসূচি বদলে অমিত শাহ রাতে কলকাতায় আসেন রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মিটিং করতে। ভোররাত পর্যন্ত চলে সেই মিটিং।
আরও পড়ুন: আগামী ৪-৫ দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি কাটবে!
[আরও পড়ুন- তৃণমূলে ফেরার রাস্তা বন্ধ, শোভন-বৈশাখীকে তীব্র কটাক্ষ রত্নার, বললেন শিশুসুলভ আচরণ!]
বিজেপিকে নিশানা করে মমতার তোপ, আগামী দিনে বাংলাই তোমার সবথেকে বড় কাঁটা হবে দিল্লি দখলের পথে। উল্লেখ্য মমতার আগে অখিলেশ যাদব থেকে শুরু করে অনেকেই বলে এসেছেন একুশে বাংলার নির্বাচনের প্রভাব পড়বে চব্বিশে লোকসভা ভোটে। এদিন মমতা ফের আরেকবার সেই দাবিতে সিলমোহর দিলেন।
এদিন সরকারের কাজের খতিয়ান দিতে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী দাবি করেন, তাঁর শাসনকালে বাংলায় ৪০% বেকারত্ব কমেছে। অন্যান্য জনসভার মত এদিনও মমতা ‘মা বোনেদের’ জন্য বিশেষ বার্তা দেন। জনতার উদ্দেশ্যে মমতার বার্তা, লুঠেরাদের গ্রামে ঢুকতে দেবেন না। এদিন রাজ্য সফরে ভোট প্রচারে এসেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। যোগীর উদ্দেশ্য-এ মমতার টিপ্পনি, কোথা থেকে গেরুয়া পরে চলে এল, নাম তাঁর যোগী, আসলে সে ভোগী।




