বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপি কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে তৃণমূল নেতাদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, ভয়ের আবহ তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগ নতুন নয়। করোনা পর্বে বাঁকুড়ায় প্রথম জনসভা থেকে বিজেপি সরকারকে এই ইস্যুতে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মমতা ব্যানার্জি। বললেন, ক্ষমতা থাকলে আমাকে গ্রেফতার করো। জেল থেকে বাংলাকে জেতাব।
বাঁকুড়ার সভা থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী। মমতার কটাক্ষ থেকে বাদ পড়ল না সিপিএম-কংগ্রেস। ৩ দলকে এক সারিতে ফেলে মমতার হুঙ্কার, বাঁকুড়ায় একটি একটি করে আসন বুঝে নেব। বিজেপির ভিন রাজ্যের নেতাদের কটাক্ষ করে মমতা বলেন, ওরা বাংলার বাইরের লোক আনছে। আপনাদের সব কেড়ে নেবে। সব লুট করে নেবে। সিপিএমের হার্মাদরা রং বদলে নিয়েছে, কিন্তু মনটা এখন একইরকম। বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়িতে দলের কর্মী সভা থেকে মমতা বলেন, আপনারা কি সিপিএমের আমল ভুলে গেছেন? অন্ধকার দিন ফিরিয়ে আনতে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেছে সিপিএম আর কংগ্রেস। সারদা থেকে বাঁচতে সিপিএম এখন বিজেপির পায়ে পড়ছে বলেও দাবি তাঁর।
মমতার অভিযোগ, অনেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লুকিয়ে লুকিয়ে ১০ হাজার, ৫ হাজার করে টাকা দিচ্ছে বিজেপি। ওই টাকা কিন্তু আপনার নিজের। তাই টাকাটা নিয়ে নেবেন কিন্তু ভোট দেবেন না। মমতা ব্যানার্জি বলেন, কেউ কেউ ভাবছে বাইচান্স যদি বিজেপি চলে আসে। তাই আগে থেকেই সেটিং করে রাখি। তারপরই মমতা বলেন, কাঁচকলা হবে। বাঁকুড়ায় একটি আসনও পাবে না বিরোধীরা, সবকটি জিতবে তৃণমূল।
আরও পড়ুন: মহম্মদ সামির দাদা হাসিবকে ১৮ এপ্রিল লালবাজারে তলব। এরপর সামিকেও জেরার সিদ্ধান্ত কলকাতা পুলিশের।
অনেকেই বিজেপির থেকে হুমকি ফোন পাচ্ছেন যে অ্যারেস্ট করা হবে। তারপরই তাঁর হুঙ্কার, আমি কোনও ধমকানি-চমকানিতে ভয় পাই না। ক্ষমতা থাকলে আমাকে গ্রেফতার করুক। আমি জেল থেকে বাংলাকে জেতাব।




