রবিবার বোলপুরে পৌঁছেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাষা আন্দোলনের সূচনা শান্তিনিকেতন থেকে
গত ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে ‘ভাষা আন্দোলন’-এর ডাক দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই আন্দোলনে তাঁর প্রথম মিছিলের জন্য বেছে নিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের মাটিকে। মিছিল শেষে এই মাটি থেকেই ‘বাংলা ভাষার অপমান বরদাস্ত না করার’ বার্তা দেবেন তৃণমূল নেত্রী। এই মেগা কর্মসূচি থেকেই বেঁধে দেবেন দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতির অভিমুখ।
রবিবার সন্ধ্যায় বোলপুর পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোম ও মঙ্গলবার রয়েছে তাঁর ঠাসা কর্মসূচি। তবে গোটা রাজ্যের চোখ রয়েছে মূলত তাঁর ভাষা আন্দোলনের মিছিলের দিকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটা বাংলার অস্তিত্বের লড়াই। নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রীই স্বয়ং।
সোমবার গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে দুপুর ৩টে নাগাদ তিনি যোগ দেবেন মিছিলে। লক্ষাধিক মানুষের জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে জেলা নেতৃত্ব। তবে অন্যান্য মিছিল থেকে একটু অন্যভাবে সাজানো হচ্ছে এই পদযাত্রাকে। শুরুতেই থাকছে বাংলা বইয়ের আদলে তৈরি একটি ট্যাবলো। বইটির ঠিক মাঝে শান্তির বার্তা হিসেবে থাকবে একটি সাদা পায়রার মূর্তি।
বইটির উপর বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করে লেখা থাকবে একাধিক স্লোগান। এছাড়া ট্যাবলোর চারিদিকে থাকবে মনীষীদের কাট আউট। মিছিলের রুটেই থাকছে ১২টি জায়ান্ট স্ক্রিন ও ২৮টি অস্থায়ী তোরণ।
এই মিছিলকে ঘিরে রবিবার থেকেই রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে বীরভূমে। এদিন নানুর শহিদ দিবসে যোগ দেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং মন্ত্রী মলয় ঘটক। তাঁদের গলাতেও উঠে এসেছে গেরুয়া শিবিরের বাংলা-বিরোধী চক্রান্তের তত্ত্ব। এই চক্রান্তের রহস্য বোলপুরের মিছিল থেকেই ফাঁস করে একসঙ্গে চলার বার্তা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Comments are closed.