করোনা ও লকডাউনের জেরে সারা দেশে হু হু করে বেড়েছে বেকারত্ব, প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন সংস্থায় কর্মীদের ছাঁটাইয়ের খবর আসছে। দেশজুড়ে কর্মসংস্থানের এই আকালেও পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্ব তুলনামূলকভাবে অনেক কম। শনিবার সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি (CMIE) এর জুন মাসের রিপোর্টকে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ট্যুইট করেন, কোভিড-১৯ এবং আমফানের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা করেও একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করেছি আমরা। ২০২০ সালের জুনে পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্বের হার এসে দাঁড়িয়েছে ৬.৫ শতাংশে। যেখানে সারা ভারতের বেকারত্বের হার ১১ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে ৯.৬ শতাংশ এবং হরিয়ানায় ৩৩.৬ শতাংশ, সে জায়গায় বাংলার অবস্থা অনেক ভালো।

আরও পড়ুন: সবজি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমাতে তৎপর প্রশাসন, নবান্নে বৈঠক
সিএমআইই-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে বেকারত্বের হার মে মাসে ছিল ২৩.৪৮ শতাংশ। যা জুনে গিয়ে ঠেকেছে ১০.৯৯ শতাংশে। লকডাউন শিথিল হওয়ার পর বিভিন্ন সেক্টরে কাজ শুরু হওয়ায় বেকারির হার কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে সিএমআইই। তারা জানাচ্ছে, গত মে মাসে গ্রামীন ভারতে বেকারির হার ছিল ২২.৪৮ শতাংশ, যা জুনের শেষে কমে হয়েছে ১০.৫২ শতাংশ। শহরে মে মাসে বেকারির হার ছিল ২৫.৭৯ শতাংশ। সেটাও জুন মাসে কমে ১২.০২ শতাংশে পৌঁছেছে।
এদিকে বাংলায় বেকারত্বের হার তুলনামূলক কমের কারণ হিসেবে তৃণমূল সরকার নানা জনমুখী প্রকল্পকে ইঙ্গিত করেছে। ভিন রাজ্যে কাজ খুইয়ে বাংলায় ফিরে আসা আইটি প্রফেশনালদের জন্য সরকার তৈরি করেছে বিশেষ পোর্টাল। অভিবাসী শ্রমিকদের ঘরে ফেরার পর ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে জোর দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডিএ বৃদ্ধি ৪ শতাংশ, রাজ্য বাজেটে উন্নয়নের একগুচ্ছ ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
west




