২৭ মার্চ বাংলায় শুরু বিধানসভা ভোট। মূলত পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলার মোট ৩০ আসনে ভোট। বাঁকুড়ায় ৪ আসনে ভোট।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, বাঁকুড়ার কোন আসনে কী অবস্থা?
শালতোড়া কেন্দ্রে ১৬ সালে জেতেন তৃণমূলের স্বপন বাউরি। ২০১৯ লোকসভায় এই কেন্দ্রে ১৫ হাজার ভোটে এগিয়ে বিজেপি।
আরও পড়ুন: বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল ফিরে যাওয়াদের মল মূত্রের সঙ্গে তুলনা তথাগত রায়ের
একুশের বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছেন চন্দনা বাউরি। তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন সন্তোষ মণ্ডল। এই আসনে সংযুক্ত মোর্চার তরফে প্রার্থী দিয়েছে আইএসএফ।
ছাতনা কেন্দ্রে ২০১৬ সালে তৃণমূল প্রার্থীকে ২৪১৭ ভোটে হারিয়ে জিতেছিলেন আরএসপির ধীরেন্দ্রনাথ লায়েক। ২০১৯ সালের লোকসভায় এই কেন্দ্রে ৩০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে বিজেপি।
এবার এই আসনে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন সত্যনারায়ণ মুখার্জি এবং আরএসপি প্রার্থী হয়েছেন ফাল্গুনি মুখার্জি।
আরও পড়ুন: দৃষ্টান্ত: করোনা সংক্রমিত তৃণমূল নেতাকে প্লাজমা দিতে হাসপাতালে ছুটলেন সিপিএম নেতা
রানিবাঁধ কেন্দ্রে ২০১৬ সালে জয় পেয়েছিলেন তৃণমূলের জ্যোৎস্না মান্ডি। ২০১৯ এর লোকসভায় প্রায় ১৬ হাজার ভোটে এগিয়ে বিজেপি।
এবার এই আসনে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক্ষুদিরাম টুডু। তৃণমূলের প্রার্থী জ্যোৎস্না মান্ডি, বামেরা এই সিটে প্রার্থী করেছে ব্রিগেডে বক্তৃতা করে মাতিয়ে দেওয়া দেবলীনা হেমব্রম।
রায়পুর আসনে ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে জেতেন তৃণমূলের বীরেন্দ্রনাথ টুডু। ২০১৯ সালের লোকসভায় এই কেন্দ্রে ৩ হাজার ভোটের লিড আছে বিজেপির।
এবার এই কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে লড়ছেন সুধাংশু হাসদা, তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু। এই কেন্দ্রে আইএসএফের হয়ে লড়বেন মিলন মান্ডি।




