পুলওয়ামা জঙ্গি হামলায় ধৃতের জামিনের নেপথ্যে কি NIA এর ব্যর্থতা?অভিযোগ অস্বীকার তদন্তকারী সংস্থার
বৃহস্পতিবার এনআইএ-র এক মুখপাত্র জানান, জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদ দিল্লি সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে হামলার ষড়যন্ত্র করেছিল। এই ষড়যন্ত্র মামলায় যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ইউসুফ চোপানকে জামিন দিয়েছে এনআইএ-র বিশেষ আদালত। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে জৈশ-ই-মহম্মদের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র মামলায় ইউসুফ সহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু এই ষড়যন্ত্র মামলায় ইউসুফের বিরুদ্ধে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দিতে না পারায় তাকে জামিন দিয়েছে দিল্লির বিশেষ আদালত। এনআইএ জানাচ্ছে, এই আট অভিযুক্তের মধ্যে দু’জন মারা গিয়েছে। এই মামলায় সাজাদ আহমেদ খান, তানবীর আহমেদ গানি, বিলাল আহমেদ মির, মুজাফফর আহমেদ ভাট, ইশফাক আহমেদ ভাট এবং মেহরাজ উদ্দিন চোপানের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছিল তারা। অন্য দুই অভিযুক্ত মুদ্দাসির আহমেদ খান ও কারি মুফতি ইয়াসিরের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। মুদ্দাসির আহমেদ খান এই ষড়যন্ত্র মামলার মূল অভিযুক্ত ছিল বলে জানিয়েছে এনআইএ। এই মুদ্দাসিরই ২০১৯ সালের পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার অন্যতম অভিযুক্ত। তবে ইউসুফ চোপানের বিরুদ্ধে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে চার্জশিট দিতে পারেনি এনআইএ। পাশাপাশি পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার তদন্ত ঠিকপথেই চলছে বলে দাবি করেছে এএনআই।
বৃহস্পতিবার ইউসুফ চোপানের জামিন নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে। কংগ্রেস অভিযোগ করে, চোপানকে জামিন দিয়ে পুলওয়ামা হামলায় নিহত জওয়ানদের ‘অপমান’ করা হল। তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগও দাবি করে। যদিও সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র যুক্ত থাকা চোপানের তথ্যপ্রমাণের অভাবে জামিন পাওয়া নিয়ে মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছে কংগ্রেস ও বিরোধী দলগুলি।

Comments are closed.