Take a fresh look at your lifestyle.

কলকাতায় করোনাভাইরাস! বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি চিনা তরুণী, মিল নেই উপসর্গের স্বস্তি দিয়ে জানালেন চিকিৎসকেরা

71

চিনে ইতিমধ্যেই মহামারির আকার নিয়েছে। এবার কি কলকাতায় থাবা বসাল করোনাভাইরাস? এই আশঙ্কার কারণ, বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক চিনা তরুণী। তবে পরে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের কোনও উপসর্গ মেলেনি বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া চিনা তরুণীর দেহে।

রবিবার রাতে করোনাভাইরাস সন্দেহে বেলেঘাটার আইডি হাসপাতালে ভর্তি হন চিনা তরুণী জো হুয়ামিন। ভারতে বেড়াতে আসা এই চিনা তরুণী কিছুদিন আগেই অসুস্থ হয়ে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে রবিবার রাতে তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। প্রায় ২৪ ঘণ্টা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখার পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসে যে ধরনের উপসর্গ দেখা যায় তার সঙ্গে কোনও মিল নেই চিনা তরুণীর উপসর্গের।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস ছয়েক আগে চিনে ছিলেন জো হুয়ামিন নামে ওই তরুণী। তাঁর দেহে করোনাভাইরাসের উপসর্গ না মেলায় একরকম স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সবাই।

মূলত স্তন্যপায়ী প্রাণী ও পাখিরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়। যেহেতু চিনারা বিভিন্ন প্রাণীর মাংস খেয়ে থাকে, সেখান থেকেই ভয়ঙ্কর ভাইরাস ছড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত চিনে ২,৭০০ জন মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৮০ জনের। চিনের উয়াহান এই ভাইরাস ছড়ানোর প্রাণকেন্দ্র বলে ধরা হচ্ছে। তা এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন দেশে। ভারতে ২০০-র বেশি মানুষকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি হয়েছে কলকাতা, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি বিমানবন্দরে। তবে যেভাবে এই ভাইরাসের আতঙ্ক বাড়ছে তাতে দেশের সবক’টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং ফেসিলিটি রাখার জন্য কেন্দ্রকে আবেদন করেছেন রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রঘু শর্মা। রাজস্থানের এক চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সাধারণ লক্ষণ হল জ্বর, কাশি এবং তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। মূলত শ্বাস- প্রশ্বাসের মাধ্যমে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। হাঁচি-কাশির মধ্যে দিয়ে এই ভাইরাস ছড়ায়। তাই যদি কোনও এলাকায় এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়ায় তাহলে, এই সব সাধারণ লক্ষণগুলি কোনও রোগীর দেহে মিললেই কালবিলম্ব না করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

Comments are closed.