সারদা কাণ্ডে ইডির জেরার মুখে কুণাল ঘোষ, বিভিন্ন সময় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল টাকার উৎস জানতে জিজ্ঞাসাবাদ

সারদা মামলায় ইডির জেরার মুখে কুণাল ঘোষ। করা হল বয়ান রেকর্ড। অভিযোগ, সারদার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন সময় মোটা টাকা জমা পড়েছিল কুণাল ঘোষের অ্যাকাউন্টে। কী কারণে এই টাকা তাঁকে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই টাকা কোথায় গেল বা কোন খাতে খরচ করা হয়েছে, তা জানতে এদিন কুণাল ঘোষকে প্রায় দু’ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির অফিসাররা। করা হয়েছে কুণাল ঘোষের বয়ান রেকর্ড।

এর আগে সিবিআইয়ের জেরার মুখে কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, সারদা থেকে যে টাকা তিনি পেয়েছেন, তার পুরোটাই পারিশ্রমিক বাবদ। বুধবারও সেই কথারই পুনরাবৃত্তি করেছেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ, বলে ইডি সূত্রে খবর। তদন্তের প্রয়োজনে কুণাল ঘোষকে ফের ডাকা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

সারদা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে গত সোমবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কুণাল ঘোষ সহ ৬ জনকে নোটিস পাঠায়। ১০ দিনের মধ্যে তৃণমূল সাংসদ ও অভিনেত্রী শতাব্দী রায়, তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ, ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার, ব্যবসায়ী সজ্জন আগরওয়াল, সন্ধির আগরওয়াল ও সারদা এজেন্ট অরিন্দম দাসকে সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সূত্রেই এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন কুণাল ঘোষ। বিভিন্ন নথি ঘেঁটে ইডি অফিসাররা জানতে পেরেছেন, সারদার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন সময়ে মোটা অঙ্কের টাকা গিয়েছে এই ৬ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকবার নগদ টাকাও নিয়েছিলেন কেউ কেউ। কী কারণে তাঁরা এই টাকা নিয়েছিলেন, নেওয়া টাকা হিসাব বহির্ভূত কিনা এবং সেই টাকা কোন খাতে খরচ করা হয়েছে, তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তলব করা হয়েছে ওই ৬ জনকে। সাংসদ শতাব্দী রায় ছাড়া বাকি ৫ জনই ইতিমধ্যেই সংশিষ্ট মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন।

Comments are closed.