রাত ফুরোলেই শুরু হতে চলছে বাংলার হাইভোল্টেজ নির্বাচন। প্রচারে ঝড় তুলছে সব পক্ষই। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার জনসভায় থেকে মমতার হুংকার, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে বহুবার বলেছি, ওটা করে না দিলে আমি নরেন্দ্র মোদীর অফিসের সামনে ধরনায় বসব।
পাশাপাশি বাংলার বকেয়া পাওনা কেন্দ্রের সরকার মেটাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন মমতা। অন্যান্য সভার মত এদিনও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম না করে তৃণমূল নেত্রীর কটাক্ষ, দিল্লির এক হোঁদল কুতকুত মন্ত্রী আছে, বলছে বাংলাকে দেখে নেবে। এখানেই শেষ নয়, সুর চড়িয়ে তিনি আরও বলেন, রাক্ষস নাকি যে বাংলাকে গিলে খাবে।
শুক্রবারের জনসভা থেকে মমতা ফের বহিরাগত ইস্যুতে সুর চড়ান। এদিন দাসপুর, ডেবরা, চন্দ্রকোনায় জনসভা করেন তৃণমূল নেত্রী। ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ওই কেন্দ্র গুলিতে ভোট। প্রতিটি সভা থেকেই বিজেপিকে বাছা বাছা শব্দে আক্রমণ শানান তিনি।
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikary: কাঁথির কাউন্সিলর থেকে তৃণমূল, নন্দীগ্রাম হয়ে বিজেপি! জানুন তাঁর রাজনৈতিক জীবন
[আরও পড়ুন- টানা তিন দিন পায়ে হেঁটে মনোনয়ন জমা তৃণমূল প্রার্থী ৭০ পেরোনো স্বপন দেবনাথের]
তৃণমূল নেত্রীর ধরনার প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মমতাকে পাল্টা কটাক্ষ করেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ২ মে’র পর ওনাকে নবান্নের বাইরে ধরনায় বসতে হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগেও একটি জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ধরনায় বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তবে সেবারে তাঁর দাবি ছিল, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভাবে ভোট পরিচালনা না করলে, তিনি কমিশনের সামনে ধরনায় বসবেন।
আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টিতে কার্শিয়াংয়ে জাতীয় সড়কে ধস, বিচ্ছিন্ন শিলিগুড়ি-দার্জিলিং যোগাযোগ




