শীতলকুচিতে মৃতদের পরিজনেদের সঙ্গে দেখা করে মিতালি রায়ের সমর্থনে ধূপগুড়িতে সভায় এলেন মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেন, শীতলকুচির ৫ টা পরিবারকে আমি সমবেদনা জানাই। আজ বাবা সাহেবের জন্মদিন, সংবিধান দিবস। আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আমি উপস্থিত সমস্ত মানুষকে শুভেচ্ছা জানাই।
মমতা ব্যানার্জির অভিযোগ তাঁকে অন্যায়ভাবে আটকে রেখে বিজেপি নেতারা প্রচার করবেন আর টাকা বিলোবেন, এটাই ছিল বিজেপির প্ল্যান। মমতা ব্যানার্জি বলেন, যেদিন ভোট শেষ হবে সেদিন থেকেই তদন্ত শুরু হবে। কে গুলি চালিয়েছে, কেন চালিয়েছে সেটা সবার জানা দরকার। মৃতদের পরিবার ন্যায্য বিচার পাবে, বলেন মমতা। ধুপগুড়ির বাসিন্দা জগন্নাথ রায় সেনায় চাকরি করতে গিয়ে মারা যান। তাঁর পরিবার এদিন মমতার সভায় হাজির ছিলেন। মমতা ব্যানার্জি সেই পরিবারেরও পাশে থাকার কথা বলেন। তাঁর অভিযোগ, অমিত শাহ সেনাকে নিয়ে এত কথা বললেও ধূপগুড়িতে এসে একবারও জগন্নাথের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার প্রয়োজন বোধ করেননি।
মমতার ঘোষণা, আমি সব ধর্মের মানুষের পাশে আছি। তাঁর ঘোষণা, বাংলায় এনআরসি করতে দেব না।
আরও পড়ুন: ট্র্যাক থেকে লাইন বেরিয়ে গিয়ে বিপত্তি; হাওড়া-খড়গপুর শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল




