দুর্বল সরকার গড়ে দেশ লুঠ করতে চায় বিরোধীরা। এই লক্ষ্যেই জোট করছে কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলি। দিল্লির রামলীলা ময়দান থেকে তোপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।
শনিবার বিজেপির জাতীয় সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী তাঁর বক্তব্যে বিরোধী মহাজোটের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, জোটের নামে নিজেদের রাজনৈতিক ভাগ্যের পরীক্ষা করছেন বিরোধী নেতারা। মোদীর কটাক্ষ, মজবুত সরকার সরিয়ে ‘মজবুর সরকার’ গড়ে ফের দুর্নীতির দোকান খোলাই লক্ষ্য বিরোধী জোটের। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, জোট গড়া হয় একই আদর্শে ভিত্তি করে দেশের উন্নয়ন করতে, কিন্তু এই প্রথম জোট হচ্ছে কেবল একজন মানুষকে পরাজিত করতে। পূর্বতন, ইউপিএ সরকারকে খোঁচা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার যখন মজবুত সরকার গড়ে দেশের উন্নয়নের কাজে ব্রতী হয়েছে, কৃষকদের উন্নতির চেষ্টা করছে, তখন বিরোধী জোটের লক্ষ্য আর একটা দুর্নীতি করে কৃষকদের লুঠ করা। তিনি বলেন, কংগ্রেস সরকার দেশের কৃষককে কেবল ‘মতদাতা’ বা ভোটারের চোখে দেখত, যারা শুধু তাদের ব্যালট বাক্স ভরাবে। কিন্তু বিজেপি সরকার দিন-রাত পরিশ্রম করছে যাতে ২০২২ সালের মধ্যে প্রত্যেক কৃষকের পারিশ্রমিক দ্বিগুণ করা যায়।
এদিনের মোদীর বক্তব্যে ঘুরে ফিরে এল অযোধ্যা থেকে উচ্চবর্ণে জন্য বিল প্রসঙ্গ। অযোধ্যা মামলার শুনানিতে দেরি হওয়ার জন্য কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন মোদী। তিনি বলেন, যেখানেই দেশের মানুষের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে সেখানেই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস। অযোধ্যা মামলায় আইনজীবীদের দিয়ে মামলার গতিরোধ করাই কংগ্রেসের উদ্দেশ্য।
উচ্চবর্ণের গরিবদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতেই সব সমস্যার সমাধান হবে তা দাবি করছে না কেন্দ্র, কিন্তু দেশকে নতুন দিশা দেখাবে এই সংরক্ষণ বিল। এতে উচ্চবর্ণের দরিদ্র পরিবারের ছেলে-মেয়েরা নতুন করে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন ‘নতুন ভারতে’।
পাশাপাশি, অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সিবিআই তদন্তের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন দীর্ঘ ১২ বছর তৎকালীন ইউপিএ সরকার তাঁকে নাকাল করেছে, কিন্তু একবারও তিনি তদন্তকারী সংস্থা বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেননি।

You may also like