Silver ₹74.52/g Kolkata 32°C 8 June 2026
Bengal

স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নয়া পদক্ষেপ, এবার থেকে বেসরকারি ডাক্তাররা সরকারি হাসপাতালে করতে পারবেন অপারেশনও

স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নয়া পদক্ষেপ, এবার থেকে বেসরকারি ডাক্তাররা সরকারি হাসপাতালে করতে পারবেন অপারেশনও

রাজ্যের সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে গিয়ে বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা সার্জারি ও চিকিৎসক পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ দেবেন। এমনকী তাঁরা অ্যাকাডেমিক সেশনেও অংশ নিতে পারবেন। ওই ডাক্তাররা প্রয়োজনে অপারেশনও (New Medical Rule) করতে পারবেন। সম্প্রতি এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন।
গত ২৬ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য ভবন এক অ্যাডভাইসারি দিয়ে জানিয়েছে, বেসরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন। মেডিকেল কলেজে তাঁরা পড়াতেও পারবেন বলে ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। অ্যাডভাইসারি অনুযায়ী, সম্প্রতি বহু বেসরকারি চিকিৎসক সরকারি হাসপাতালে শল্য, স্নায়ু বিভাগ, হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি, শিশু, কার্ডিয়াক ইত্যাদি বিভাগে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সেই আবেদন বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত (New Medical Rule) নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, বেসরকারি চিকিৎসকরা ‘দলগতভাবে’ কোনও সার্জারিতে অংশ নিতে পারবেন। তাছাড়া সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ুয়াদের শিক্ষাদান ও প্রশিক্ষণও দিতে পারবেন তাঁরা। যদি সরকারি হাসপাতালের কোনও বিশেষ বিভাগ কোনও বেসরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের কোনও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য চায়, সেক্ষেত্রে প্রিন্সিপালের কাছে আবেদন করতে পারে। এই পরিষেবার জন্য বেসরকারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা প্রতিদিন সর্বাধিক ছ’ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। এবং একই সপ্তাহে সর্বাধিক তিন দিন কাজ করতে পারবেন। প্রতি ঘণ্টার জন্য তাঁরা দেড় হাজার টাকা পাবেন বলে ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, ‘সঠিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নির্বাচিত হলে, সরকারি হাসপাতালের রোগীরাই আখেরে উপকৃত হবেন।’
তবে এই বেসরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের চিকিৎসকদের পদমর্যাদা ও বেতন নিয়ে কিছু বলা নেই নির্দেশিকায়। রাজ্যের যে কোনও সরকারি মেডিকেল কলেজে একজন সহকারী অধ্যাপক পান মাসে ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনও বেসরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যদি সপ্তাহে তিনদিন ৬ ঘণ্টা কাজ করেন, তাঁর মাসিক বেতন দাঁড়াচ্ছে এক লক্ষ টাকা। এই নীতি নিয়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক-অধ্যাপকরা প্রশ্ন তুলেছেন।