Take a fresh look at your lifestyle.

ট্যুইটারে অপমানিত হচ্ছেন মহিলারা, রিপোর্ট প্রকাশ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের

0

জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ট্যুইটারে ক্রমাগত ব্যক্তিগত আক্রমণ, হিংসা এবং অপমানের শিকার হচ্ছেন মহিলারা। মহিলাদের এই অপমানের হাত থেকে বাঁচাতে অপারগ ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। জনপ্রিয় এই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে বিভিন্ন ইস্যুতে নিজেদের মতামত জানান ব্যবহারকারীরা। চলে বিভিন্ন বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মত বিনিময়। মহিলারাও এই গণ মাধ্যমটি ব্যবহার করে জনসমক্ষে নিজেদের মতামত জানান। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভিন্ন মত, বা কোনও বিষয়ে প্রতিবাদ করলেই ট্যুইটারে আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে মহিলাদের। ছড়াচ্ছে হিংসা, অপমান ও বিদ্বেষের বিষ।

বিগত ১৬ মাস ধরে এই বিষয়ে সমীক্ষা চালিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৮৬ জন মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন সমীক্ষক দলের সদস্যরা। এর মধ্যে ছিলেন রাজনীতিবিদ, লেখক, সাংবাদিক, ব্লগার, অ্যাক্টিভিস্টসহ বিভিন্ন পেশার মহিলারা। এছাড়াও একাধিক সামাজিক বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে জড়িত সংস্থার সঙ্গেও কথা বলা হয়। সমীক্ষায় প্রকাশ, ট্যুইটারে মহিলাদের বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের শিকার হতে হয়। এছাড়াও ধর্মীয় সংখ্যালঘু, সমকামী, প্রতিবন্ধী মহিলাদেরও নানা অছিলায় অপমান ও নিগ্রহের শিকার হতে হচ্ছে এখানে। অথচ এই সোশ্যাল মিডিয়াটিতে বর্তমান পদ্ধতিতে এইরূপ কু-মন্তব্য বন্ধ করার বা সেগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও পথ রাখা হয়নি। অথচ রাষ্ট্রসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী, একটি ব্যবসায়ীক সংস্থা হিসাবে মানবাধিকার রক্ষায় নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে এই অনলাইন সাইট’টির। সেখানে গুরুত্ব দিতে হবে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতায়। বিদ্বেষমূলক বার্তা ছড়ালে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে ওই গাইড লাইনে। সমীক্ষায় এও উঠে এসেছে যে অপমান ও কটূক্তির জেরে অনেকে ট্যুইটার করাই ছেড়ে দিয়েছেন। গোটা বিষয়ে সাফাই দিয়েছেন ট্যুইটারের বর্তমান সিইও জ্যাক ডরসে। তিনি জানিয়েছেন, মত প্রকাশের জন্যই এই সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে। কিন্তু তার যে এরূপ অপপ্রয়োগ হবে তা প্রথমে বোঝা যায়নি। এখন তাঁরা বিষয়টি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল, এ জিনিস মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত এর সমাধান খোঁজার চেষ্টা চলছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.