Take a fresh look at your lifestyle.

নন্দীগ্রাম, নেতাই কারও ব্যক্তিগত মালিকানা নয়, নাম না করে শুভেন্দুকে কটাক্ষ পার্থর

তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের তীব্র কটাক্ষ পার্থর

122

নন্দীগ্রাম ও নেতাই আন্দোলন কারও ব্যক্তিগত মালিকানা নয়। মমতার নেতৃত্বেই সবাই লড়েছেন। তাতে মহাশ্বেতা দেবী থেকে শাঁওলি মিত্র যেমন ছিলেন, নিশিকান্ত থেকে আবু সুফিয়ান, আবু তাহের ও ফিরোজা বিবি এঁরাও সেই আন্দোলনের শরিক হন। নন্দীগ্রাম ও নেতাই আন্দোলন প্রসঙ্গে শুভেন্দুর নাম না করে এভাবেই কটাক্ষ করেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জির।
বৃহস্পতিবার নেতাই দিবস পালন নিয়ে দড়ি টানাটানি চলে তৃণমূল বনাম শুভেন্দু অধিকারীর। তারপর শুক্রবারই নন্দীগ্রামে সভা করছেন সেখানকার পদত্যাগী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে নব্য বিজেপি নেতার নন্দীগ্রাম ও নেতাইয়ে ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিরক্ত পার্থর উত্তর, নন্দীগ্রাম ও নেতাই আন্দোলন কারও ব্যক্তিগত মালিকানা নয়। ফের শুভেন্দুকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সাংবাদিকদের উদ্দেশে পার্থর তোপ, ‘আপনাদের সবাই এনগেজ করেছে ওই নাম গুলো তোলার জন্য। ইগনোর ইট।’
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া নেতা, বিধায়কদের উদ্দেশে তৃণমূল মহাসচিবের কটাক্ষ, দলবদলুরা এখন তৃণমূলের বিরোধিতা করছেন, কেউ কেউ বিজেপির লেজ ধরে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আদতে রাজনীতিতে এঁদের কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই। সকালে চা খেয়ে উঠেই কেবল ধ্বংসের চর্চা করেন এঁরা। একজন এগিয়ে এসে বলছে না আরও উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব!
পার্থর আরও অভিযোগ বাংলায় ধ্বংসাত্মক রাজনীতি বনাম সৃষ্টির আনন্দে উন্নয়নের লড়াই চলছে রাজ্যে। ২০১১ সাল থেকে মমতার নেতৃত্বে বিভিন্ন প্রতিকূলতা কাটিয়ে রাজ্যের সর্বস্তর ও সর্ববিভাগে উন্নয়ন সংগঠিত হয়েছে। কেন্দ্রের উপেক্ষা ও অবহেলা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার মমতার নেতৃত্বে চলা উন্নয়নকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তৃণমূল মহাসচিবের কথায়, সারা দেশ জুড়ে বিজেপি ধ্বংসের রাজনীতি করছেন। এবং মানুষ তা প্রতিহত করছেন। তাঁর দাবি, তৃণমূল সরকার যখন মানুষের দুয়ারের দুয়ারে গিয়ে কর্মসূচির সাফল্যের কথা বলছে পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছে, তখন শুধুমাত্র সংবাদে থাকার জন্য ভুয়ো তথ্য, মিথ্যে খবর ছড়াচ্ছে বিরোধীরা। কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের কটাক্ষ করে পার্থ আরও বলেন, একদল প্লেনে করে নেমে এসে ভুল তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। বাংলা দখলের জন্য চরিত্রহননের রাজনীতি আমদানির চেষ্টা করছে।

Comments are closed.