বেসরকারি ট্রেনে যাত্রীভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রাইভেট সংস্থার হাতে স্বাধীনতা থাকবে। নিজেদের ইচ্ছামতো ভাড়া ঠিক করতে পারবে তারা। জানাল কেন্দ্র।
এর ফলে ১০৯ টি রুটে ১৫১ টি বেসরকারি ট্রেন চালানোর অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি সেই ট্রেনের ভাড়া নির্ধারণের অনুমতিও সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।
এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ভিকে যাদব বলেন, বেসরকারি সংস্থাগুলিকে নিজস্ব ভাড়া নির্ধারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। একই রুটে চলা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস ও বিমানের ভাড়ার কথা ট্রেনের ভাড়া নির্ধারণের আগে মাথায় রাখতে হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: সোনিয়ার ‘আকর্ষণীয়’ প্রস্তাব ফেরালেন, ‘হাত’ ধরছেন না প্রশান্ত কিশোর
ভারতীয় রেলের আধুনিকীকরণ ও উন্নতির স্বার্থে রেলকে ধাপে ধাপে বেসরকারি হাতে তুলে দিচ্ছে সরকার। কিন্তু যে ট্রেনে দেশের আপামোর জনসাধারণ যাতায়াত করেন সেখানে সামান্য ভাড়া বৃদ্ধি হলেও তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে। সরকার মুনাফা বাড়াতেই বেসরকারি হাতে রেলের একটি অংশ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। আর রেলের হিসেব অনুযায়ী বেসরকারি পরিচালকদের কাছ থেকে সরকার ৭৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি উপার্জন করতে চলেছে। পাঁচ বছরে সরকারের একটি স্থায়ী উপার্জন হবে বেসরকারি রেলের মাধ্যমে।
রেল পরিষেবায় গতি আনতে ও আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে স্বাগত জানানো হয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ হবে বলে মনে করছে রেলমন্ত্রক। করোনা অতিমারি পরিস্থিতির পর ট্রেন চালু হলেই বেসরকারি সংস্থার হাতে বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন চালানোর ভার দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। যার বরাত পাওয়ার দৌড়ে আছে অ্যালস্টম এসএ, বোমবার্ডিয়ার আইএনসি, জিএমআর ইনফ্রাস্ট্রাকচার, আদানি এন্টারপ্রাইজের মতো সংস্থা।
এদিকে করোনা সঙ্কটের মধ্যেই ঘুরপথে বাড়তে চলেছে ট্রেনের টিকিটের দাম। টিকিটের বর্তমান দামের সঙ্গে অতিরিক্ত ফি চার্জ যুক্ত হচ্ছে। অর্থাৎ, নিঃশব্দে বেড়ে যাবে টিকিট মূল্য। রেল সূত্রে খবর, লেভি বাবদ এই টাকা স্টেশনগুলির সার্বিক পরিকাঠামো উন্নয়নে খরচ করা হবে।
আরও পড়ুন: ছেঁড়া জিন্স নিয়ে আপত্তি! “পোশাক বিতর্ক” -এ সমালোচনার মুখে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী




