Gold ₹144,300/10g
Silver ₹241.53/g
Petrol ₹113.51/L
Diesel ₹99.82/L
Kolkata 29°C
9 July 2026

করোনা কালে অসহায় মানুষের পাশে কলকাতার স্কুল পড়ুয়া ছাত্রের দল

করোনা কালে অসহায় মানুষের পাশে কলকাতার স্কুল পড়ুয়া ছাত্রের দল

মাস্ক, স্যানিটাইজার সহ খাদ্য সামগ্রী প্রায় চারশো মানুষের হাতে তুলে দিলেন কয়েকজন স্কুল পড়ুয়া। শহর কলকাতায় স্কুলের ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত সবথেকে বড় কোভিড ক্যাম্প। উদ্যোগে দুই বন্ধু, রেভান্ত মোর, অক্ষত সারাওগি।

সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুলের ক্লাস টুয়েলভের ছাত্র তাঁরা। উদ্যোগে আরও আটটি সংস্থা এগিয়ে এসেছিল। সকলেই স্কুল পড়ুয়া।

আরও পড়ুন: ‘এপ্রিলের শেষে ভারতে করোনা সংক্রমণ সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছোবে’, সতর্কবার্তা দিলেন পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট কে শ্রীনাথ রেড্ডি

রেভান্ত জানাচ্ছেন, সেপ্টেম্বর থেকেই বন্ধুকে নিয়ে এই কাজ করছেন। তাঁদের এই উদ্যোগের নাম ‘UPLIFT’। প্রধান লক্ষ্য, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে পরিবর্তন নিয়ে আসা।

লকডাউনের পর প্রচুর মানুষ কাজ হারিয়েছেন। সামান্য খাওয়ার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন বহু মানুষ। এসব দেখে ঠিক করি আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়াব, জানালেন রেভান্ত।

প্রথমে দুই বন্ধু নিজেদের পয়সায় খাদ্য সামগ্রী, মাস্ক স্যানিটাইজার কিনে বাড়ির পাশে বস্তি অঞ্চলে গিয়ে বিলি করেন। ধীরে ধীরে দুই বন্ধুর সঙ্গে আরও অনেকে এই উদ্যোগে এগিয়ে আসেন। এখন তাদের সদস্য সংখ্যা একুশ। কেউ ক্লাস নাইন, কেউ ক্লাস টেন। কেউই এখনও স্কুলের গন্ডি পেরোয়নি। এখনও পর্যন্ত ২০ থেকে ২৫টি এরকম ক্যাম্পের আয়োজন করেছে আপলিফ্ট।

আরও পড়ুন: রসগোল্লার পর এবার পেটেন্টের লড়াইতে বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ের ‘মেচা সন্দেশ’

খাদ্য সামগ্রী বিলি করার পাশাপাশি করোনা সংক্রমিতদের বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে স্কুল পড়ুয়াদের দলটি।

প্রথমে নিজেদের পকেটমানির টাকায় কাজ শুরু করলেও এখন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ফান্ড সংগ্রহ চলছে। যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হচ্ছে এই কাজ চলবে বলে জানিয়েছে তারা।

প্রত্যেকেই ছাত্র, পড়াশোনার চাপ রয়েছে। তার মধ্যেই দিনের কিছু সময় বের ধারাবাহিকভাবে চলছে কাজ। কয়েকজন স্কুল পড়ুয়া খুদে সমাজকর্মীর এই মহৎ উদ্যোগকে কুর্নিশ জানাচ্ছে শহর।

Track Latest News Live on TheBengalStory.com and get news updates from West Bengal and around the world.

Editor's choice