গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীর হুঙ্কার ছিল, ‘লড়াইয়ের মাঠে দেখা হবে।’ সেদিন কারও নাম না নিলেও শুভেন্দুর নিশানায় ছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। আর সোমবার নন্দীগ্রাম থেকে মমতা ব্যানার্জি নিজেই ভোটে দাঁড়াবেন বলে ঘোষণার পর প্রশ্ন উঠেছে তাঁর বিপরীতে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন? নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী কি পদত্যাগী বিধায়ক শুভেন্দুই? সোমবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর টুইট ঘিরে এমনই জল্পনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি কী লিখেছেন এই ট্যুইটে?
সোমবার রাত ৯ টা ৩০ মিনিটে এক ট্যুইটে শুভেন্দু লেখেন, ‘স্বাগতম দিদি। ২১ বছর সঙ্গে ছিলাম। এবার সামনা-সামনি দেখা হবে।’ হ্যাশট্যাগ নন্দীগ্রাম দিয়ে শুভেন্দুর ‘ফেস টু ফেস ফাইট’ লেখা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।
স্বাগতম দিদি। ২১ বছর সঙ্গে ছিলাম। এবার নন্দীগ্রামে সামনা-সামনি দেখা হবে।
আরও পড়ুন: প্রশাসন অনুমতি দেয়নি তার প্রমাণ দিক বিজেপি, রথ যাত্রা ইস্যুতে চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের
Welcome Didi! For 21 yrs I was by ur side. Now I look forward to the face-to-face fight in #Nandigram!
स्वागतम् दीदी। २१ साल आपके साथ खड़ा था। इस बार नंदीग्राम में आमने-सामने मुलाक़ात होगी। इंतज़ार रहेगा।
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) January 18, 2021
সোমবার নন্দীগ্রামের সভা থেকে মমতা ঘোষণা করে দেন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে এবার তিনিই প্রার্থী হবেন। ওই কেন্দ্রে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন দলত্যাগী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে গত ডিসেম্বরে বিজেপিতে যোগদানের আগে বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন শুভেন্দু। সোমবার নন্দীগ্রামে মমতার এই ঘোষণার পরই শুভেন্দু দক্ষিণ কলকাতার সভা থেকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে জানান, মমতাকে হাফ লাখ ভোটে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে হারাতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন তিনি। তবে শুভেন্দু নিজেই সেখানে প্রার্থী হবেন কিনা তা তখন পরিষ্কার করেননি।
তবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুভেন্দুর ইঙ্গিতপূর্ণ ট্যুইট, ‘এবার নন্দীগ্রামে সামনা-সামনি দেখা হবে।’ এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে, শুভেন্দুকে কি নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী করার ব্যাপারে কি সবুজ সংকেত দিয়েছে বিজেপি? মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের হেঁড়িয়ার সভা থেকে এনিয়ে শুভেন্দু কিছু বলেন কিনা, নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।