কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন কাণ্ডে অভিযুক্ত চিকিৎসক দেবাংশী সাহাকে শীতলকুচির স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বদলি করল নবান্ন।
এপ্রিল মাসে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যায় ২৬টি করোনার জীবনদায়ী টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন। অভিযোগ ওঠে সিসিইউ-এর মেডিক্যাল অফিসার দেবাংশীর বিরুদ্ধে। সে সঠিক নিয়ম না মেনে কয়েকটি স্পেসিমেন এগজামিনেশন ফর্মে রোগীর নাম ও কটা ইঞ্জেকশন লাগবে, তা লিখে পাঠিয়েছিলেন। দেবাংশীর সঙ্গে সিসিইউয়ের নার্সের একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে আসে।
এরপরে নড়েচড়ে বসে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। ৩ সদস্যের একটি কমিটি তৈরী করে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ৩ চিকিৎসককে নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদম্ত শুরু হয় স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশে।
আরও পড়ুন: ‘আগামী ২৫ বছরে ভারত’; নিজের ‘কল্পনা’ এঁকে ভারত-সেরা কলকাতার শ্লোক
৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট জমা পড়ে স্বাস্থ্য ভবনে। সেই রিপোর্টে মেডিক্যাল অফিসার দেবাংশী সাহা এবং সিসিইউ নার্সকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
শুক্রবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে মেডিক্যাল কলেজের সিসিইউর মেডিক্যাল অফিসারের দেবাংশীকে কোচবিহারের শীতলখুচি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অধীনে জাতামারি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার পদে বদলি করা হয়েছে।
সেখানে চিকিৎসক মহম্মদ আরিফ ইকবাল হুসেনের সহকারী হিসাবে কাজ করবেন তিনি।
আরও পড়ুন: শুভেন্দু অধিকারী নয় ৪২০ অধিকারী! নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে বিজেপি প্রার্থীকে তুলোধোনা অভিষেকের




