ভোটের রাজনীতি করতে মতুয়া সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব নিয়ে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কেন্দ্র। এ রাজ্য থেকে যাঁরা বিধায়ক, সাংসদ হয়েছেন, তাঁদের ভুয়ো নাগরিকত্ব দেওয়া যায় না। সাংবাদিক বৈঠক থেকে আরও একবার মতুয়াদের নাগরিকত্ব ইস্যুতে কেন্দ্রকে বিঁধলেন রাজ্যের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মতুয়াগড়ে শুধু সভা করলেই হবে না। নাগরিকত্ব নিয়ে কী বলবেন অমিত শাহ? আমরা নজর রাখব। বলেন ব্রাত্য বসু।
মতুয়াদের নাগরিকত্ব ইস্যুতে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যেই নাগরিকত্ব সংশোধিত আইনের আইন প্রণয়নের জন্য আরও সময় চেয়েছে। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে আইন লাগু হওয়ার উপায় নেই।
এদিন ব্রাত্য বসু জানান, রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন এবং নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরও সিএএ কার্যকর করা হবে না। ভোটে জেতার আশায় মতুয়াদের নিয়ে খেলছে মোদী সরকার। ব্রাত্যর মতে, ভাওতা দিয়ে মতুয়াদের ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
লোকসভা ভোটে মতুয়াদের ঢালাও সমর্থন পেয়েছে বিজেপি। হারানো জমি উদ্ধার করতে তৎপর হয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই ২৫ হাজার পাট্টা বিলি করা হয়েছে মতুয়াদের মধ্যে। মতুয়া উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেছেন মমতা। মতুয়াদের উন্নয়নের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এদিন ব্রাত্য বসু দাবি করেন মতুয়াদের গুরু হরিচাঁদ ঠাকুরকে প্রথম সম্মান জানিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জিই। এদিন বিজেপির প্রস্তাবিত রথযাত্রা নিয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, রথের শুরু করেছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানি। তাঁকেই বিজেপি ব্রাত্য করে রেখেছে বলে অভিযোগ মন্ত্রীর। তাঁর আরও দাবি, রথ মানে চৈতন্য। সেই চৈতন্য দেবের আদর্শকেই অপমান করছে বিজেপি। নিদির্ষ্ট রাজনতিক লক্ষ্যে এই রথযাত্রা করছে বিজেপি বলেও অভিযোগ ব্রাত্য বসুর।
আরও পড়ুন: তৃণমূল সরকারের ১৪ বছরে রাজ্যে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়