প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ খুব কম সময়ের মধ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণ করতে সফল হয়েছে, বৃহস্পতিবার বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
গুজরাটের একটি সংস্থার উদ্যোগে ভার্চুয়ালি ৯ টি অক্সিজেন প্লান্ট উদ্বোধন করছিলেন অমিত শাহ। সেখানেই তিনি বলেন, দেশে যখন সেকেন্ড ওয়েভ আসে, ভাইরাসটা যে শুধু মাত্র দ্রুত গতিতে সংক্রমিত হচ্ছিল এমনটাই নয়, তার সঙ্গে নিজেকে ক্রমাগত পরিবর্তন করে আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছিল। তা সত্ত্বেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সংক্রমণে রাশ টানতে পেরেছি।
শাহের সুরেই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিও দাবি করেন, প্রথম ওয়েভের মতো করোনার দ্বিতীয় ঢেউকেও রুখে দিতে পেরেছি। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য এখন রাজ্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আরও পড়ুন: নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জের, আইআইটি মাদ্রাজের জার্মান ছাত্রকে ভারত ছাড়তে নির্দেশ
অমিত শাহ আরও দাবি করেন, আমাদের মত এরকম বৃহত্তর একটা দেশের ক্ষেত্রে এত কম সময়ে এই সফলতা কম বড় কথা নয়। দেশে সর্বনিম্ন সময়ে সর্বাধিক টিকাকরণের রেকর্ডেরও দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবং তা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ‘cover maximum people in minimum time’ নীতির ফলে।
এদিন অক্সিজেন সরবরাহ নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় শাহের মুখে। তিনি বলেন সংক্রমণ বাড়ার জেরে অক্সিজেনের সরবরাহের ক্ষেত্রে আমরা কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হই। একমাসের মধ্যে অক্সিজেনের চাহিদা ১ হাজার মেট্রিকটন থেকে ১০ গুন্ বেড়ে ১০ হাজার মেট্রিক্ট্রন হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে রাজ্যগুলির চেষ্টায় আমরা এই বাঁধাও পেরোতে সক্ষম হয়েছি। দ্বিতীয় ঢেউয়ের পিক আমরা প্রিয়ে এসেছি বলেও দাবি করেন অমিত শাহ। বলেন, সারা দেশে অক্সিজেনের চাহিদা ১০ হাজার মেট্রিকটন থেকে কমে ৩,৫০০ মেট্রিক টনে এসে ঠেকেছে। এখান থেকে প্রমাণিত করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে।
প্রথম ঢেউয়ের ক্ষেত্রে আগেভাগেই জয় ঘোষণা করে দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল দেশ। এমনটাই মনে করেন বিরোধীরা। তাঁদের দাবি, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় চরম ব্যর্থ মোদী সরকার। যে ব্যর্থতার হাতে গরম প্রমাণ গঙ্গায় ভাসমান মৃতদেহের সারি। যদিও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, করোনা মোকাবিলায় মোদীর নেতৃত্বে দ্রুত মোকাবিলা করা গেছে।
আরও পড়ুন: ওয়োর বিরুদ্ধে এফআইআর, কয়েকশো কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ বেঙ্গালুরুর হোটেল সংগঠনের, অভিযোগ অস্বীকার




