ডিএলএফ ঘুষকাণ্ডে লালু প্রসাদ যাদবকে ক্লিনচিট দিল সিবিআই। উপযুক্ত প্রমাণ না মেলায় শেষমেস ক্লিনচিট দেওয়া হল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীকে। ২০১৮ সাল থেকে নয়াদিল্লিতে জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছিল সিবিআই।
২০০৭ সালে শেল সংস্থা এবি এক্সপোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড দেশের বিখ্যাত আবাসন নির্মাণকারী সংস্থা ডিএলএফের কাছে আর্থিক সুবিধা নিয়ে দক্ষিণ দিল্লিতে একটি জমি কেনে। সেই বছর ওই জমির দাম ছিল ৩০ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র ৫ কোটি টাকার ওই জমি কিনে নেয় শেল সংস্থা এবি এক্সপোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড।
এরপরেই মাঠে নামে ডিএলএফ। মুম্বাইয়ের বান্দ্রার জমি লিজ নেওয়ার প্রকল্প এবং দক্ষিণ দিল্লির রেলওয়ে স্টেশনে একটি আপগ্রেডেশন প্রোজেক্ট নিজেদের হাতে নেওয়ার জন্য ওও ৬ কোটির জমি তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবকে ঘুষ হিসাবে দিতে চায়। এরইমধ্যে ২০১১ সালে লালুর ছেলে তেজস্বী যাদব ও পরিবারের সদস্য রাগিনী যাদব ও চন্দ্রা যাদব শেল সংস্থা এবি এক্সপোর্টস প্রাইভেট লিমিটেডের শেয়ার কিনে ফেলেন মাত্র ৪ লক্ষ টাকায়। এতে দক্ষিণ দিল্লির ৫ কোটি টাকার ওই জমি সহজেই তাঁদের হাতে চলে আসে।
আরও পড়ুন: শুক্রবার সকাল ৯ টায় ভিডিও বার্তা দেবেন মোদী, কী বলবেন তা নিয়ে জল্পনা
ঘটনায় তদন্তে নেমে সিবিআই প্রবীণ জৈন এবং অমিত কাটয়াল নামে দুইজনের সন্ধান পায়। এদের সঙ্গে লালু এবং ডিএলএফের আর্থিক লেনদেন হত বলে খবর পায় সিবিআই। এই মামলায় সিবিআই কম দামে জমি ক্রয়, ভুয়ো স্ট্যাম্প পেপার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। কিন্তু এই মামলা মাঝ পথেই থামিয়ে দিল সিবিআই।
কিন্তু সিবিআই তদন্ত শেষ করলেও এই মামলার অন্য তদন্ত করছে আয়কর বিভাগ।
পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি সহ একাধিক মামলা রয়েছে লালুর বিরুদ্ধে। দুমকা ট্রেজারি মামলায় ৩ বছর জেল খেটেছেন লালু। এপ্রিলে জামিম পান তিনি।




