কয়লা কেলেঙ্কারি কাণ্ডে নয়া মোড়। এবার কেলেঙ্কারির ভার গিয়ে পড়ল সিআইডির হাতে। রাজ্যে কয়লা কেলেঙ্কারি কাণ্ডে ৩৩ টি মামলা রয়েছে। এই সবকটি মামলার তদন্ত করবে সিআইডি। এর মধ্যে ৩ টি মামলার তদন্তে শুক্রবার আসানসোল-রানিগঞ্জে যাচ্ছেন সিআইডি আধিকারিকরা। বারাবনি, অণ্ডাল ও পাণ্ডবেশ্বরে গিয়ে ইসিএল আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলবেন সিআইডির গোয়েন্দারা।
শুক্রবার ইসিএলের সাকতোড়িয়া দফতরে সিআইডির বিশেষ টিম গিয়ে তল্লাশি ও তদন্ত করবে। আসানসোল-রানিগঞ্জ এলাকার খোলা মুখ কয়লা খনিগুলির খতিয়ে দেখবেন আধিকারিকরা। ইসিএলের তরফে কয়লা দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এই কাণ্ডে তদন্তের ভার নেয় সিআইডি।
[আরও পড়ুন- শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের অভিষেক ব্যানার্জির]
আরও পড়ুন: ভবানীপুর সহ ৩ কেন্দ্রের ভোট, শীঘ্রই রাজ্যে আসছে ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী
ইতিমধ্যেই কয়লা কাণ্ড নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। এবার সিবিআইয়ের সঙ্গে একজোট হয়ে তদন্ত করবে সিআইডি। কয়লা দুর্নীতি কাণ্ড পৌঁছে গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সেখান থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রেলের জমি এলাকা ছাড়া অন্য জায়গায় তদন্ত করতে গেলে সিবিআইকে রাজ্য সরকারের অনুমতি নিতে হবে। এতে সিবিআইয়ের তদন্ত অনেকটা শিথিল হয়ে পড়ে। কিন্তু তদন্তের গতি বহাল রাখতে এবার সিআইডিকে নিযুক্ত করে রাজ্য সরকার।
উল্লেখ্য, আসানসোল, দুর্গাপুর, এলাকায় কয়লা পাচার মামলায় অভিযোগ উঠেছে লালা ওরফে অনুপ মাজির বিরুদ্ধে। গত বছর ২৭ নভেম্বর সিবিআই গোয়েন্দারা কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে নেমে লালা ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। আর এই মামলা রুজু করার সঙ্গে সঙ্গেই গা ঢাকা দেয় লালা ও তার সঙ্গীরা। লালার পক্ষ থেকে সিবিআইয়ের গোয়েন্দাদের অভিযোগ খারিজ করে দেওয়ার জন্য হাইকোর্টে একটি আবেদন পেশ করা হয়। সেই মামলাতেই হাইকোর্ট রায় দিয়ে জানায়, রেলের জমি ছাড়া অন্য জমিতে তদন্ত করতে গেলে সিবিআইকে রাজ্য সরকারের অনুমতি নিতে হবে।
আরও পড়ুন: জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী, থাকছে সিসি ক্যামেরা




